সংবাদদাতা, কালনা: গাঙ্গুর নদীর উপর কালনা-২ ব্লকের টোলা-তালা ব্রিজ নতুন করে তৈরির কাজ চলছে। নদীর জল বাড়ায় কাজ থমকে রয়েছে। অস্থায়ী সাঁকোর উপর দিয়ে ঝুঁকির পারাপার চলছে। যে কোনও সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। কালনা থানার টোলা ও তালা গ্রামের মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়েছে গাঙ্গুর নদী। এই নদীর উপর থাকা টালা-তোলা সেতু দীঘদিন ধরে বেহাল ছিল। মাস চারেক আগে পুরনোটি ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এই সেতু দিয়ে ভূড়কুণ্ডা, পোতানই, বালিন্দর, ধামাস, তালা, টোলা সহ একাধিক গ্রামের মানুষজন যাতায়াত করেন। সেতু দিয়ে কালনা-দেবীপুর বাস সহ অটো-টোটো যাতায়াত করত। নতুন করে সেতু নির্মাণকাজ চলায় বিকল্প যাতায়াতের জন্য পাশ দিয়ে অস্থায়ী সাঁকো তৈরি হয়েছে। ওই অস্থায়ী সাঁকো দিয়ে বাস, অটো, টোটো সহ চারচাকা যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ। শুধু মাত্র বাইক ও হেঁটে যাতায়াত চলছে। প্রথম দিকে নদীর উপর মাটি ফেলে অস্থায়ী বাইপাস রাস্তা তৈরি হয়েছিল। বর্ষায় নদীর জল বাড়ায় স্রোতে তা ভেসে যায়। ফের কাঠের গুঁড়ি ও প্লাই দিয়ে কোনওরকমে অস্থায়ী সেতু তৈরি করা হলেও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কোনও উপায় না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে। পার্শ্ববর্তী হুগলি জেলার জামনা দিয়ে কয়েক কিলোমিটার ঘুরপথে টোটো, অটো চলাচল করছে। কৃষিপ্রধান এলাকা হওয়ায় কাটা পাট ও ধান নিয়ে ঘুরপথে যাতায়াতে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে চাষিদের। এলাকার বাসিন্দা পলাশ মণ্ডল বলেন, সেতু তৈরির কাজ এতটাই ঢিমেতালে চলছে। বর্ষা এসে যাওয়ায় কাজ থমকে রয়েছে। কাঠের খুঁটি ও পাতলা প্লাই দিয়ে তৈরি অস্থায়ী সাঁকোর বিপজ্জনক অবস্থা। বাইক হাঁটিয়ে নিয়ে গেলেও নড়বড় করছে। যে কোনও সময় সাঁকোটি ভেঙে পড়তে পারে। বিডিও অনিরুদ্ধ মণ্ডল বলেন, জুন মাসের মধ্যেই সেতু তৈরির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। বর্ষা একটু আগে চলে আসায় ও ধারাবাহিক বৃষ্টিতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। সেতুর অনেকটা কাজ হয়ে গিয়েছে। বৃষ্টি কমলেই বাকি কাজ শুরু হবে। • নিজস্ব চিত্র



