Bartaman Logo
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হেঁশেলে হানা: অভিযানের শেষদিনেও বন্ধ হল বহু দোকান-রেস্তরাঁ-বেকারি

খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে সপ্তাহব্যপী অভিযান শেষ হল সোমবার। এদিনও বেশ কিছু দোকান-রেস্তরাঁয় অনিয়ম ধরা পড়ে।

হেঁশেলে হানা: অভিযানের শেষদিনেও বন্ধ হল বহু দোকান-রেস্তরাঁ-বেকারি
  • ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে সপ্তাহব্যপী অভিযান শেষ হল সোমবার। এদিনও বেশ কিছু দোকান-রেস্তরাঁয় অনিয়ম ধরা পড়ে। তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সোমবার ডোমজুড়ে একাধিক রেস্তরাঁ ও বেকারিতে অভিযান চালাল স্বাস্থ্যদপ্তর, খাদ্যসুরক্ষা দপ্তর এবং পুলিশ। দুপুরে কাটলিয়া এবং ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চলে। ফ্রিজার খুলে আধিকারিকদের নজরে আসে প্রচুর পরিমাণে পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত মাছ-মাংস। অনিয়ম ধরা পড়ায় বেকারিটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, কোনা এক্সপ্রেসওয়ের কাছে বেলেপোলে একটি নামী রেস্তরাঁয় হাওড়া পুরসভা ও খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা অভিযান চালান। সেখানে ফ্রিজে রাখা মাংস, মাছ, পনির-সহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী পরীক্ষা করা হয়। অধিকাংশ খাবারের গায়ে কেনার তারিখ উল্লেখ না থাকায় সেগুলি ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই রেস্তরাঁকেও কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। হুগলিতেও বিরিয়ানি থেকে মিষ্টি, ফাস্টফুড থেকে হোটেল সবক্ষেত্রে নজরদারি করা হয়েছে। মজুত খাদ্যসামগ্রী নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছে। তবে গত কয়েকদিনের অভিযানে ব্যবসায়ী মহলে সতর্কতা তৈরি হয়েছিল। ফলে উল্লেখযোগ্য রকম ত্রুটি মেলেনি। 

Advertisement

উত্তর ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলাতে মোট ৭৬টি হোটেল রেস্তরাঁয় অভিযান চালিয়েছে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। দশটির মতো দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বনগাঁর একাধিক মিষ্টির দোকানে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। টাউনহল মোড় এলাকায় প্রসিদ্ধ একটি মিষ্টির দোকানে একাধিক অনিয়ম সামনে এসেছে। সকালের লুচি বা পরোটার সঙ্গে দেওয়া তরকারিতে মেশানো হচ্ছে রাসায়নিক যুক্ত হলুদ, মেয়াদোত্তীর্ণ মশলা। এদিন দোকানে থাকা বিভিন্ন খাবার বাজেয়াপ্ত করে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়। ওই দোকান আপাতত বন্ধ করে দিয়েছে। হাবড়ায় এফএসএসএআই লাইসেন্স না থাকায় সিল করা হয় নামী মিষ্টির দোকান। এছাড়া টাকির একটি হোটেল কাম রেস্তরাঁয় হানা দেন খাদ্যদপ্তরের আধিকারিকরা। সেখানে তখন অনেকেই খাওয়া দাওয়া করছিলেন। ছিলেন পর্যটকরাও। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন আধিকারিকরা। কিন্তু কোনো অসঙ্গতি ধরা পড়েনি। টানা অভিযানে ব্যবসায়ীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। 
সোনারপুর ও নরেন্দ্রপুর এলাকায় তিনটি দোকান বন্ধ করা হয়েছে। একটি মিষ্টির দোকান ও বাকি দুটি রেস্তরাঁ। তার মধ্যে দুটিকে একেবারে সিল করা হয়েছে। তাদের লাইসেন্স ছিল না। এছাড়াও বারুইপুরের কয়েকটি পাঠার মাংসের দোকানে অভিযান চালানো হয়। তাদেরও কোনো লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট ছিল না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ