নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: জাতীয় সড়ক, রাজ্য সড়ক থেকে শুরু করে পাড়ার অলিগলিতেও গোরু ও মোষের উৎপাতে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। অন্ধকারে মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গোরু-মোষকে বাঁচাতে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। বর্ষাকালে ওই পশুদের মল রাস্তাকে আরও পিচ্ছিল বানিয়ে দেয়। আসানসোল ও দুর্গাপুর দুই মেগাসিটির বাসিন্দারাই অতিষ্ঠ। মালিকানাহীন এই মোষ, গোরুগুলি সারাদিন ধরে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। ইচ্ছে হলে মাঝ রাস্তায় বসে পড়ে। এদের নিয়ন্ত্রণ করার কেউ নেই। আসানসোল থেকে বরাকর পর্যন্ত জিটি রোড কার্যত গোরু-মোষেদের দখলে চলে গিয়েছে। ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কও ব্যতিক্রম নয়। আর সালানপুর থানার রূপনারায়ণপুর তো হয়ে উঠেছে রেল সহ চিত্তরঞ্জন থেকে উৎখাত হওয়া অবৈধ খাটালের গোরু ও মোষেদের ‘শেল্টার’। অনেক ক্ষেত্রেই রূপনারায়ণপুরের শাসক দলের কতিপয় নেতার মদতে অর্থের বিনিময়ে কেবেলসের কোয়ার্টার দখল করেও গজিয়ে উঠছে খাটাল। একদা মানুষের বাসস্থানে থাকছে মোষ। মোষদের কোয়ার্টার দখলের থেকেও বেশি উদ্বেগের তাদের রাস্তা দখল। রূপনারায়ণপুর থেকে সামডি রাস্তা, রূপনারায়ণপুর ডাবর মোড় থেকে চিত্তরঞ্জন যাওয়ার রাস্তায় এই উৎপাত সবচেয়ে বেশি। খতিয়ে দেখা গিয়েছে, খাটাল মালিকরাই এর জন্য দায়ী। এতদিন মোষগুলিকে তারা চরাতে নিয়ে যেত। বিভিন্ন জায়গায় ঘাস খাইয়ে এনে তা গোয়ালে ফিরিয়ে আনত। এখন সকাল হলেই তাদের বাইরে ছেড়ে দেওয়া হয়। রাত নামতে ফের গোয়ালে ফিরিয়ে আনা হয়। এইভাবে গো-মাতাদের মালিকরা শুধুমাত্র দুধ সংগ্রহ করার জন্যই তাদের খাটালে ফিরিয়ে আনে।



