Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ইস্কোর শ্রমিক সংগঠনের নির্বাচন রাজ্যকে করানোর দায়িত্ব দিল কোর্ট

ইস্কো বা সেইল আইএসপির শ্রমিক সংগঠনের নির্বাচন নিয়ে জটিলতা কাটল। কেন্দ্রীয় লেবার কমিশন নয়, রাজ্যের অধীনে থাকা রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন ওয়েস্ট বেঙ্গলকেই নির্বাচন করানোর দায়িত্ব তুলে দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

ইস্কোর শ্রমিক সংগঠনের নির্বাচন রাজ্যকে করানোর দায়িত্ব দিল কোর্ট
  • ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ইস্কো বা সেইল আইএসপির শ্রমিক সংগঠনের নির্বাচন নিয়ে জটিলতা কাটল। কেন্দ্রীয় লেবার কমিশন নয়, রাজ্যের অধীনে থাকা রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন ওয়েস্ট বেঙ্গলকেই নির্বাচন করানোর দায়িত্ব তুলে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ইস্কোতে শ্রমিক সংগঠনের নির্বাচন করানোর দাবিতে গত বছর হা‌ই঩কোর্টে মামলা করেছিল বিএমএস অনুমোদিত বার্নপুর ইস্পাত কর্মচারী সঙ্ঘ। পরবর্তীকালে হাইকোর্ট সেই মতো তিনমাসের মধ্যে নির্বাচন করানোর নির্দেশ দেয়। কেন্দ্রের রিজিওনাল লেবার কমিশনার নির্বাচনের জন্য নোটিশ জারি করে। যার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যায়, সিটু, এইচএমএস সহ একাধিক শ্রমিক সংগঠন। রাজ্য সরকারও মামলায় পার্টি হয়ে জানায়, রা঩জ্যের ট্রেড ইউনিয়নগুলির স্বীকৃত দেয় রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন। নির্বাচন করানোরও তাঁদের অধিকার। হাইকোর্টও কার্যত রাজ্যের দাবি মেনে তাঁদের তিনমাসের মধ্যে নির্বাচন করানোর নির্দেশ দিয়েছে। বুধবার এই রায়দান হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে আইএনটিইউসি, সিটু, এইচএমএস ও এআইটিইউসি বার্নপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিষয়টি তুলে ধরেন। শ্রমিক নেতা হরজিৎ সিং, সৌরেন চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা নির্বাচনের বিরোধী নই। কিন্তু, বিএমএসকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছিল। আমাদের অন্ধকারে রেখেই ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়। তার বিরোধিতা করেই আমরা হাইকোর্টে গিয়েছিলাম। হা‌ই঩কোর্ট আমাদের দাবি মেনেই রাজ্য সরকারকে নির্বাচন করানোর নির্দেশ দিয়েছে। রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, যেভাবে এসআইআরের মাধ্যমে জোর করে বিজেপি ক্ষমতা দখল করতে চাইছে, সেই ভাবে কারখানার শ্রমিক ইউনিয়নগুলির নিয়ন্ত্রণ পিছন গেট দিয়ে দখল করতে চাইছে। ইস্কোর সম্প্রসারণ ও আধুনিকীরণ হবে তাই তার নিয়ন্ত্রণ নিতে বিজেপি মরিয়া। হাইকোর্ট এদিন আমাদের দাবিকেই মান্যতা দিয়েছে। বিএমএস নেতা সঞ্জিত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চারটি শ্রমিক সংগঠন ও রাজ্য ঩লেবার কমিশন ইচ্ছে করেই ইস্কোর শ্রমিক সংগঠনের ভোট আটকে রেখেছিল। তারজন্যই আমরা হাইকোর্টে গিয়েছিলাম। আমরা নির্বাচন চেয়েছিলাম। যে কেউ নির্বাচন করাক আমাদের আপত্তি নেই। তাই এই রায়কে আমাদের পরাজয় কোন ভাবেই মনে করছি না।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ