সংবাদদাতা, ডোমকল: আড়াই দশকের বেশি সময় পার। মহকুমা ঘোষণা হওয়ার পর অবশেষে আদালত পেল ডোমকল। বুধবারই সাড়ম্বরে উদ্বোধন করা হল ডোমকল মহকুমা আদালত। এদিন সকালে ভার্চুয়ালভাবে আদালতের উদ্বোধন করেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। এছাড়াও একাধিক বিচারবিভাগীয় কর্তার পাশপাশি এদিন ভার্চুয়ালিভাবে বক্তব্য রাখেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। এদিন আদালতের সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ লোকসভার সাংসদ আবু তাহের খান , জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিসের এসপি কুমার সানি রাজ, এসডিপিও শুভম বাজাজ সহ একাধিক প্রশাসনিক ও বিচারবিভাগের আধিকারিকরা।
প্রসঙ্গত, প্রায় আড়াই দশকের বেশি সময় আগে মহকুমার তকমা পেয়েছিল ডোমকল। প্রায় একই সময়ে নদীয়ার তেহট্টও মহকুমার তকমা পেয়েছিল। কিন্তু অনেক আগে তেহট্ট মহকুমা আদালত পেলেও মহকুমা আদলত চালু হয়নি ডোমকলে। আদালতের জন্য এত বছরে কখনও ভাড়াবাড়ি কখনও জমি দেখে গিয়েছেন বিভাগীয় কর্তারা। এমনকি পরবর্তীতে আদালতের জন্য বিশাল বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও এতদিন আদলত চালু না হওয়ায় হতাশ হয়েছিলেন মহকুমাবাসী। তবে এবার সব হতাশা দূর করে আদালত চালু হওয়ায় খুশি শহরবাসী। তবে সূত্রের খবর, ডোমকল মহকুমা আদালত কমপ্লেক্সে ১১টি আদালত তৈরির জন্য পরিকাঠামো করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র একটি দেওয়ানী আদালত চালু হল বলেই খবর। পরে ধাপে ধাপে অন্যান্য আদালতগুলি চালু হতে পারে। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে আদালতের উদ্বোধন হল। ডোমকলের দেওয়ানী আদালতের জন্য সিভিল জাজ (জুনিয়র ডিভিশন) হিসাবে জাইদুল ইসলাম নামে এক বিচারককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডোমকলের বাসিন্দা সাবদুল রহমান বলেন, ছাগল-মুরগি নিয়ে বিবাদ বা জমির বেড়া দেওয়া নিয়ে শরিকি গণ্ডগোল সব বিষয় নিয়ে বিচারের জন্য ডোমকলের মানুষকে লালবাগ অথবা বহরমপুর আদালতে যেতে হয়। আদালত চালু হওয়ায় আমরা ভীষণ খুশি। তবে পুরোদমে সবক’টি আদালত চালু হলে মানুষের ভীষণ সুবিধা হবে। ডোমকলের আইনজীবী রাশিদুর আলম বলেন, আদালত চালু হওয়ায় আমরা ভীষণ খুশি। আরও ভালো আইনি পরিষেবা দেওয়া যাবে। -নিজস্ব চিত্র