পাটনা: বাইকের চাবি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। টায়ার পাংচার করা হয়েছে, যাতে পালাতে না পারে। এরপর যুগলকে ঘিরে ধরে চলল মারধর ও গালিগালাজ। লাঠি উঁচিয়ে রীতিমতো তেড়ে গেল একদল ‘নীতি পুলিশ’। জামুই, সমস্তিপুর, বাঁকার পর বিহারের গয়াজি জেলা। বিগত কয়েকদিনে এই নিয়ে চতুর্থ ঘটনা। ফের নৈতিকতার পাঠ দেওয়ার নামে হেনস্তার অভিযোগ। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই দৃশ্য। ঘটনার তদন্তে নেমে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটক আরও চার নাবালক। এরপরই এনডিএ সরকারের আমলে বিহারে জঙ্গলরাজ নিয়ে সরব বিরোধী দলগুলি। তাদের কটাক্ষ, সম্রাট চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
সোমবার বিকেলে বাইকে করে মহিলা সঙ্গীর সঙ্গে শেরঘাটির মহুয়াডিহির এক পাহাড়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন গুরুয়া থানা এলাকার এক যুবক। সেখানেই তাঁদের ঘিরে ধরে কয়েকজন। বাইকের টায়ার পাংচার করে দেওয়া হয়। সমানে মারধর, গালিগালাজ করা হয়। ভিডিয়োটি সামনে আসতেই তড়িঘড়ি তদন্তে নামে পুলিশ। এপর্যন্ত মোট আটজনকে ধরা হয়েছে। এনিয়ে গয়ার এসএসপি সুশীল কুমার জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দিনকয়েক আগেই বিহারের বাঁকা জেলার পর্যটন কেন্দ্র মন্দার পাহাড়ে নারী নিগ্রহের অভিযোগ ওঠে। লাঠি-জুতো দিয়ে মারধরের পাশাপাশি তরুণীর গলার ওড়না পেঁচিয়ে ধরে চলে যৌনহেনস্তা। আক্রান্তের কাছ থেকে জোর করে টাকাও আদায় করা হয়। তার আগে একইরকমের ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল জামুই ও সমস্তিপুর। প্রশাসনের লাগাতার আশ্বাস সত্ত্বেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি।