‘জলজীবন মিশনে’ ৯৬০ কোটির দুর্নীতি ডবল ইঞ্জিন রাজস্থানে, ধৃত ৯ ইঞ্জিনিয়ার
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

জয়পুর: জলজীবন মিশন প্রকল্পে বিজেপিশাসিত রাজস্থানে ৯৬০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই দুর্নীতির পর্দাফাঁস করতে মঙ্গলবার ডাবল ইঞ্জিন রাজস্থান সহ দেশের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় অ্যান্টি কোরাপশন ব্যুরোর (এসিবি) বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। এরপরই অনিয়মের অভিযোগে প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ন’জন ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের পাবলিক হেল্থ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের (পিএইচইডি) কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্তরা। এসিবি জানিয়েছে, পুরানো কাজের ভুয়ো অভিজ্ঞতার শংসাপত্র দেখিয়ে জলজীবন মিশনের ৯৬০ কোটি টাকার কাজের বরাত হস্তগত করে দু’টি সংস্থা। এই অন্যায্য কাজের সঙ্গে পিএইচইডির আধিকারিকরাও যুক্ত ছিলেন। তাঁরাই বরাত পাওয়ার শর্ত লঘু করেছিলেন।

Advertisement

 গত মঙ্গলবার সাত সকালে একযোগে রাজস্থানের জয়পুর, বারমের, সিকর, জালোরের পাশাপাশি দিল্লি, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডের ১৫টি জায়গায় অভিযান চালায় রাজস্থান এসিবি। তল্লাশির তালিকায় রয়েছে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত চিফ সেক্রেটারি (এসিএস), এক প্রবীণ আইএএস আধিকারিক সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের বাড়ি এবং অফিস। সেখান থেকে ডিজিটাল ডিভাইস, ডায়েরি, ব্যাংকের লেনদেনের নথি উদ্ধার হয়েছে। সেগুলি এখন যাচাই করে দেখা হচ্ছে।এসিবি জানিয়েছে, জলজীবন মিশনে দুর্নীতি হয়েছে বেশ কয়েকটি ধাপে। দু’টি নতুন সংস্থাকে বরাত পাইয়ে দিতে অভিজ্ঞ সংস্থাগুলিকে টেন্ডার প্রক্রিয়া থেকে কৌশলে সরানো হয়েছে। প্রথমে একটি কাজের টেন্ডার ডাকা হয়। তবে টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলির পরিচয় প্রকাশ করে দেওয়া হয়। এতে পুরো টেন্ডার প্রক্রিয়াই বাতিল হয়ে যায়। নতুন করে টেন্ডার ডাকা হলে আগের বরাত প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলি আর তাতে যোগ দিতে পারে না। এই অবস্থায় নতুন সংস্থাগুলি বরাত পায়। তবে প্রকল্পের খরচ বেড়ে যায়।