Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রামপুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় লাগোয়া জমি ঘিরে বিতর্ক

রামপুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় লাগোয়া একটি জমি ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। রবিবার প্রাক্তন ছাত্র, অভিভাবক ও শিক্ষাকর্মীদের নিয়ে একটি আলোচনা সভা হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রায় ১০০বছর আগে স্থানীয় সাহা পরিবার ৭৬ শতক ওই জায়গা স্কুলকে দান করেছে।

রামপুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় লাগোয়া জমি ঘিরে বিতর্ক
  • ৩০ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় লাগোয়া একটি জমি ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। রবিবার প্রাক্তন ছাত্র, অভিভাবক ও শিক্ষাকর্মীদের নিয়ে একটি আলোচনা সভা হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রায় ১০০বছর আগে স্থানীয় সাহা পরিবার ৭৬ শতক ওই জায়গা স্কুলকে দান করেছে। বর্তমানে জায়গাটি স্কুলের অধীনে রয়েছে। যদিও সাহা পরিবারের বর্তমান বংশধর তথা রামপুরহাট পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলারের স্বামী অনিন্দ্য সাহার পাল্টা দাবি, পূর্বপুরুষরা দান করে থাকলে তার নথিপত্র দেখাক স্কুল কর্তৃপক্ষ। জায়গাটি আমাদের নামে সরকারি রেকর্ড রয়েছে।

Advertisement

শতাব্দীপ্রাচীন রামপুরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সায়েন্স বিল্ডিংয়ের পিছনে ৭৬শতক জায়গা রয়েছে। দিনকয়েক পরিবারের বর্তমান বংশধররা সেই জায়গা মাপজোক করতে আসেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করে, এই জায়গা তাঁদের পূর্বপুরুষ স্কুলকে দান করে গিয়েছেন। যদিও দানপত্র কর্তৃপক্ষ দেখাতে পারেনি। স্কুলের নামে সেই জায়গার রেকর্ডও নেই। স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি আরশাদ হোসেন বলেন, বহু আগে বন্যার সময় স্কুলের কাগজপত্র ভেসে গিয়েছে। নকশাল আন্দোলনের সময় স্কুলে ভাঙচুর, চুরি হয়েছে। দানপত্রটি এখন পাওয়া যাচ্ছে না। তবে এই জায়গা যে সাহা পরিবার স্কুলকে দান করেছিল তা বিভিন্ন বইপত্রে উল্লেখ রয়েছে।
প্রধানশিক্ষক আব্দুল আলম বলেন, আগে জমিদার বা বিত্তশালী মানুষজন মৌখিক বা সাদা কাগজে লিখে স্কুল, হাসপাতাল গড়তে জমিদান করতেন। এখনকার মতো এত কড়াকড়িও ছিল না। সময়মতো স্কুল কর্তৃপক্ষ রেকর্ড করে নিলে এই সমস্যা হতো না। দালালরা মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জমিটি বিক্রি করতে চাইছে। প্রয়োজনে প্রশাসন ও আইনের দ্বারস্থ হব। অনিন্দ্য বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ দানের কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। ওই জায়গা আমাদের। 
এব্যাপারে স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র তথা বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কয়েক বছর আগে এই জায়গাটি নিয়ে তৎকালীন এসডিও হেয়ারিং করেছিলেন। সেইসময় স্কুল কোনও কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাতে হবে। 
 রামপুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় লাগোয়া এই ৭৬ শতক জায়গা ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ