নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও কৃষ্ণনগর: ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় পরিবারের কোনও সদস্যের নাম নেই—উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর বিধানসভার ১৪৩ এবং নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার ৭৫ নম্বর বুথের এহেন দুই বুথ লেভেল অফিসারকে (বিএলও) ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ইতিমধ্যেই অশোকনগর বিধানসভার অন্তর্গত হাবড়া-২ নম্বর ব্লকের গুমা এলাকার পেশায় শিক্ষক ওই বিএলও মিন্টু কুমার দে আসলে একজন বাংলাদেশি, এই অভিযোগ উঠেছে। যদিও মিন্টুর দাবি, দিদিমা আর দিদির নাম ছিল ওই সময়ের ভোটার তালিকায়। তাই তিনি ভারতীয়! কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার ওই বিএলও মিলন রায়ও পেশায় শিক্ষক। গত ১৫ বছর ধরে ভোটের কাজের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দাবি, ১৯৯৫ সালের ভোটার তালিকায় পরিবারের সবার নাম ছিল। কিন্তু ২০০২ সালে কেন নাম ছিল না, তা জানা নেই। ২০০২ এর এসআইআর পর্বের ভোটার তালিকায় দুই বিএলও’র পরিবারের কোনও সদস্যের নাম না থাকা নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিডিও’রা কীভাবে এহেন দুই ব্যক্তির নাম বিএলও হিসেবে পাঠিয়েছিলেন, প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েও।



