নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: পয়সা বা প্রতিপত্তি থাকলেই হবে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় হলেও ‘বিশেষ’ অগ্রাধিকার মিলবে না। এলাকায় জনসংযোগ রয়েছে, এমন প্রকৃত কংগ্রেস মনস্কদের দিয়েই দলের ভিত মজবুত করতে চাইছেন রাহুল গান্ধী। পরিবারের অন্য কোনও সদস্যরা কোন দলের পক্ষে, পরিবারের আর কেউ কখনও কংগ্রেসের নেতানেত্রী ছিলেন কি না, তাও যাচাই করা হবে। দলের ‘সংগঠন সৃজন অভিযানে’ এই নীতিতেই জোর দিয়ে রাজ্যে রাজ্যে সংগঠন চাঙ্গা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চলতি বছরে বিহারে বিধানসভা ভোট। সেখানে মূলত দাপট লালুপ্রসাদ যাদবের দল আরজেডির। তাদের সঙ্গেই জোট কংগ্রেসের। আরজেডি’র কাঁধেই ভর দিয়ে কংগ্রেস ভোট বৈতরণী পার করে বলে অভিমত রাজনীতির কারবারিদের। যদিও এবার নিজের সংগঠন চাঙ্গা করে ভোটে ঝাঁপানোর উপর জোর দিয়েছে কংগ্রেস। একইভাবে আগামী বছর নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে। অসম, কেরল, তামিলনাড়ুতেও ভোট ২০২৬ সালে। গুজরাতে ভোট ২০২৭’এ। তাই চলতি বছরকে সংগঠন সাজানোর কাজে দলের নিচুস্তর মজবুত করে নিতে চায় কংগ্রেস।
হাত শিবির সূত্রে খবর, সেই অনুযায়ী জেলা, ব্লকস্তরে দলের নেতা নির্বাচন করে কমিটি তৈরির ক্ষেত্রে অনেক কিছু যাচাই করেই সংগঠন সাজানো হবে বলে ঠিক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কারও সুপারিশ মানা হবে না। প্রকৃত কংগ্রেসি, এলাকায় জনসংযোগে নামডাক আছে, সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারেন, মানুষের বিপদে পাশে থাকেন এমন ‘যোগ্য’ ব্যক্তিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দলের অভ্যন্তরীণ বৈঠকে রাহুল গান্ধী সাফ জানিয়েছেন, জেলা-ব্লকস্তরে নেতা নির্বাচনে কোনও প্রভাব খাটানো চলবে না। প্রকৃত উদ্যোগীদেরই নেতৃত্বে আনা হবে।