নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজেপির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক লড়াইয়ে ‘নন্দীগ্রাম চলো’ ডাক প্রদেশ কংগ্রেসের। যেখানে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের আহ্বান, নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপি ও পুলিশ একযোগে বিরোধীদের দমন করতে চাইছে। এই অবস্থায় সব বিরোধী দলের কাছে আমাদের আবেদন, গোটা দেশে বিজেপির বিরুদ্ধে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস যেভাবে লড়াই করছে, তার একটি অংশ নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন। এই নির্বাচনেও সকল মানুষ কংগ্রেসের প্রার্থীকে সমর্থন করুন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের হাত শক্ত করুন। ঘটনাচক্রে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জেলে থেকেই ভোট যুদ্ধে রয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা পন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রাম এলাকার পঞ্চায়েত স্তরের কর্মীরা কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে ভোট যুদ্ধে নেমে পড়েছেন। নন্দীগ্রামে ভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কংগ্রেস নেতা শুভাশিস ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, মহিলা তৃণমূল কর্মীদের বড় অংশের সমর্থন ও সহযোগিতা আমরা পাচ্ছি। পঞ্চায়েত ও জেলা স্তরের তৃণমূল নেতারাও যোগাযোগে রয়েছেন। এছাড়াও অন্যান্য রাজনৈতিক দলেরর সমর্থনও আমাদের কাছে আসছে। সামগ্রিকভাবে এটা বোঝা যাচ্ছে, কংগ্রেস লড়াই দিতে প্রস্তুত। পুলিশ ও নির্বাচন কমিশন যদি বিজেপির হয়ে কাজ না করে তাহলে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস মীরাক্কেল ঘটিয়ে দেবে। দিল্লি থেকে সর্বভারতীয় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারাও প্রচারে আসছেন নন্দীগ্রামে। পাশাপাশি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, প্রশাসনের একটি অংশ বিজেপি হয়ে কাজ করছে, এমন কিছু তথ্য আমাদের কাছে এসেছে। আমরা আদালতের দ্বারস্থ হবো। বাস্তবিকভাবে নন্দীগ্রামের ঘটনা থেকে রাজনীতির অলিন্দে এটা দেখা যাচ্ছে, কংগ্রেস এবং মমতা তৃণমূল ক্রমশ কাছাকাছি আসছে। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের ভোট প্রচারে কংগ্রেস এবং মমতা পন্থী তৃণমূল নেতাদের এক মঞ্চে দেখা যেতে পারে বলেও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ঘটনাচক্রে মঙ্গলবার রাতে মুকুন্দপুরে তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিলের উপর বিজেপি হামলার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় মমতা তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেস।



