সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: গত কয়েক বছরে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আমূল বদল হয়েছে। খোলনলচে বদলে গিয়েছে সরকারি হাসপাতালগুলির। পরিকাঠানোর আধুনিকীকরণে বিভিন্ন পদক্ষেপ করছে সরকার। কিন্তু এক্ষেত্রে যেন ‘ব্যতিক্রম’ ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল। কয়েক হাজার মানুষের ভরসা এই সরকারি হাসপাতালটি। অথচ সেখানকার জরুরি বিভাগে পরিষেবার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, সেখানে সময়মতো চিকিৎসকের দেখা পাওয়া যায় না।
বুধবার সকালেও দেখা গেল একই দৃশ্য। ঘরে পাখা ঘুরছে। জ্বলে রয়েছে আলো। অথচ জরুরি বিভাগে কোনও চিকিৎসক নেই। তিনি কোথায়? সেই প্রশ্ন করেও সংশ্লিষ্টদের থেকে কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রোগী এবং তাঁদের সঙ্গে আসা পরিজনদের। অনেকে প্রায় ৪০ মিনিট বসে রইলেন হাসপাতালের ভেতর। তারও পরে চিকিৎসক এসেছিলেন বলে অভিযোগ।
ময়নাগুড়ির বাসিন্দা সঞ্জয় সাহা বলেন, ‘বাবার কিডনির সমস্যা আছে। হঠাৎ করেই মুখ ফুলে গিয়েছে। আধ ঘণ্টা ধরে বসেছিলাম। কিন্তু চিকিৎসকের দেখা পাইনি। পরে তিনি আসেন।’ শ্বাসকষ্ট নিয়ে এসেছিলেন দোমহনির বিজয় রায়। সমস্যা নিয়েই বেশ কিছু সময় বসে থাকতে হয় তাঁকেও। ডাক্তার আসার পরে শুরু হয় চিকিৎসা।
ময়নাগুড়ি হাসপাতালে এই সমস্যা মাঝেমধ্যেই হয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতালপাড়ার কাউন্সিলার প্রদ্যুৎ বিশ্বাস। ময়নাগুড়ি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সীতেশ বর বলেন, ‘আমাদের কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। আমাদের চিকিৎসক থাকার কথা ৮ জন। রয়েছেন ৬ জন। সে কারণে চিকিৎসকদের জরুরি বিভাগ এবং আউটডোর- এই দু’টি জায়গায় পরিষেবা দিতে হচ্ছে। ফলে হয়তো কিছু সময় চিকিৎসক ছিলেন না।’