Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বেঙ্গালুরুতে পুড়ে মৃত ৭ শ্রমিকের পরিবারকে ২ লক্ষ করে ক্ষতিপূরণ

বেঙ্গালুরুতে  মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মুর্শিদাবাদের সাত পরিযায়ী শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। মুখ্যমন্ত্রীর তরফে প্রতিটি পরিবারকে দু’লক্ষ টাকার চেক তুলে দিলেন রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু।

বেঙ্গালুরুতে পুড়ে মৃত ৭ শ্রমিকের পরিবারকে ২ লক্ষ করে ক্ষতিপূরণ
  • ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বেঙ্গালুরুতে  মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মুর্শিদাবাদের সাত পরিযায়ী শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। মুখ্যমন্ত্রীর তরফে প্রতিটি পরিবারকে দু’লক্ষ টাকার চেক তুলে দিলেন রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। বহরমপুর ব্লকের নগরাজাল পাঁচ পীরতলা গ্রাম ও হরিহরপাড়ার খিদিরপুর গ্রামের পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়িতে যান মন্ত্রী। সঙ্গী ছিলেন সাংসদ ইউসুফ পাঠান, আবু তাহের খান, বিধায়ক নিয়ামত শেখ ও হাসানুজ্জামান। মৃতদের পরিবারকে চেক তুলে দিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন মন্ত্রী। মন্ত্রীকে দেখে নিজেদের অসহায়তার কথা তুলে ধরেন মৃতদের পরিজনরা। কর্মসংস্থানের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি জানানোর আশ্বাস দেন মন্ত্রী। 

Advertisement

মর্মান্তিক ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেন মন্ত্রী সুজিতবাবু বলেন, ঘটনার পর থেকেই সরকার ও পার্টির লোকজন সাংসদ থেকে বিধায়ক, কর্মীরা পরিবারগুলির পাশে রয়েছেন। এদিন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী দু’লক্ষ টাকার চেক প্রত্যেকটা পরিবারকে দেওয়ার জন্য আমাকে পাঠিয়েছেন। আমার সঙ্গে সাংসদরা, বিধায়করা আছেন। পরিবারগুলির সঙ্গে আমরা রয়েছি।
মঙ্গলবার দুপুরে বহরমপুরের সার্কিট হাউসে ওঠেন মন্ত্রী। সেখানে জেলা প্রশাসনের আধিকারিক ও দলের জেলার শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বৈঠক করেন। হাজির ছিলেন জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, বিধায়ক অপূর্ব সরকার প্রমুখ। তারপর এদিন  বিকেলে বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদের দুই সাংসদ ও স্থানীয় বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে হরিহরপাড়া থেকে বেলডাঙা বিধানসভা এলাকায় গিয়ে জেলার পদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে চেক তুলে দেন। 
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে বেঙ্গালুরুতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হন মুর্শিদাবাদের সাত পরিযায়ী শ্রমিক। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়তে লড়তে একে এক করে প্রাণ হারান সাতজনেই। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় শ্রমিক পরিবারে নেমে আসে অন্ধকার। অনেকেই সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন। 
জেলা তৃণমূলের সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, ঘটনার পর থেকেই আমরা দলীয় ও প্রশাসনিকভাবে সবরকম সহযোগিতা পরিবারগুলিকে করা হচ্ছে। দেহ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ওরা যে কোম্পানিতে কাজ করত, তাদের সঙ্গে কথা বলে আমরা প্রত্যেক পরিবারকে আরও পাঁচ লক্ষ টাকা করে সাহায্য পাইয়ে দিয়েছি। সত্যি অসহায় অবস্থায় আছে পরিবারগুলি। আমরা ওদের পাশে সবরকমভাবেই আছি। 
হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ বলেন, দুর্ঘটনার পর আমরা বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম। দল নেত্রীর নির্দেশেই দেহ ফেরানো এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সব রকম চেষ্টা আমরা করেছি। আগামীতেও পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াব।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ