Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে দুর্গাপুরজুড়ে তৈরি কমিউনিটি ও জন শৌচালয়গুলি দীর্ঘদিন বন্ধ

‘মিশন নির্মল বাংলা’ প্রকল্পে দুর্গাপুর শহর জুড়ে গড়ে ওঠা শতাধিক কমিউনিটি ও জন শৌচালয়গুলি বহু বছর ধরে তালা বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে।ওই সব শৌচালয়গুলি বন্ধ থাকায়এলাকাবাসী থেকে পথচারীরাভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ।

মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পে দুর্গাপুরজুড়ে তৈরি কমিউনিটি ও জন শৌচালয়গুলি দীর্ঘদিন বন্ধ
  • ১১ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: ‘মিশন নির্মল বাংলা’ প্রকল্পে দুর্গাপুর শহর জুড়ে গড়ে ওঠা শতাধিক কমিউনিটি ও জন শৌচালয়গুলি বহু বছর ধরে তালা বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে।ওই সব শৌচালয়গুলি বন্ধ থাকায়এলাকাবাসী থেকে পথচারীরাভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ, প্রায় ৭ বছর পার হয়ে গেলেও ওই শৌচালয়গুলির পরিষেবা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে দুর্গাপুর পুরসভা। তাঁদের দাবি, দ্রুত ওই শৌচালয়গুলিতে পরিষেবা চালু করলে বহু মানুষ উপকৃত হবেন।পুরসভার দাবি, জন শৌচালয়গুলির পরিষেবা দ্রুত চালু করে দেওয়া হবে। বাকিগুলির জন্য এলাকাবাসীকে দায়িত্ব নিতে হবে। পুরসভা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে ২০১৩ সালে ‘মিশন নির্মল বাংলা’ শুরু হয়। গ্রামের মানুষ এবং খোলা জায়গায় যাতে শৌচকর্ম বন্ধ করতে বাড়ি বাড়ি শৌচাগার গড়ে দেওয়া হয়। এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের মধ্যেই শহরের জনবহুল এলাকায় কমিউনিটি ও পাবলিক শৌচালয় গড়ে তোলা হয়। দুর্গাপুর শহর জুড়ে ২৬৮টি শৌচালয় তৈরী করা হয়।প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রায় ৭-৮ বছর আগে নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে শৌচালয়গুলি তালা বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। ওই সমস্ত এলাকা ও বস্তির বাসিন্দারা মিশন নির্মল বাংলা এই শৌচালয় হওয়ায় খুশি হয়েছিলেন। কিন্তু আজও তালা বন্ধ থাকায় হতাশ এলাকাবাসী। স্টিল টাউনশিপের কৃত্তিবাস বাজারের ব্যবসায়ী সৌভিক দাস ও রবিন্দর দাস বলেন,এই বাজার এলাকার শৌচালয়টির পরিষেবা চালু করলে বহু ব্যবসায়ী ও পথচারী উপকৃত হবেন। স্থানীয় বাসিন্দা দেবাশিস চৌধুরী বলেন, কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে এই শৌচালয় গড়া হয়েছে জনসাধারণের জন্য। প্রায় ১০ বছর হয়ে গেল পুরসভা পরিষেবা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।আমাদের দাবি দ্রুত শৌচালয়গুলির পরিষেবা চালু করা হোক। পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় বলেন, ২৬৮ টি শৌচালয় গড়ে তোলা হয়েছিল। তাতে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছিল। ২৬৮টির মধ্যে ৩০টি পাবলিক শৌচালয়।বাকি ২৩৮ টি কমিউনিটি শৌচালয় রয়েছে।

Advertisement

পাবলিক শৌচালয়গুলির পরিষেবা চালু করতে ইতিমধ্যেই একটি বেসরকারি সংস্থাকে বরাত দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৪৮ টি কমিউনিটি শৌচালয় বন্ধ থাকার কারণ হল কে বা কারা ওই শৌচালয়গুলি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করবেন সেই নিয়ে সমস্যা রয়েছে।যদিও এলাকার কোনও কমিটি নিজেদের দায়িত্বে শৌচালয় খুলতে চান তাহলে তাঁরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।আমরা অনুমতি দেব।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ