Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এসআইআরের কাজে বিএলওদের সহযোগিতা করতে ভলান্টিয়ার নিয়োগের নির্দেশ কমিশনের

বিএলওদের কাজে সহযোগিতা করার জন্য ভলান্টিয়ার নিয়োগ করছে নির্বাচন কমিশন। স্থায়ী পদে থাকা সরকারি কর্মীদেরকেই ওই কাজে নিয়োগ করা হবে।

এসআইআরের কাজে বিএলওদের সহযোগিতা করতে ভলান্টিয়ার নিয়োগের নির্দেশ কমিশনের
  • ৩০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:১০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বিএলওদের কাজে সহযোগিতা করার জন্য ভলান্টিয়ার নিয়োগ করছে নির্বাচন কমিশন। স্থায়ী পদে থাকা সরকারি কর্মীদেরকেই ওই কাজে নিয়োগ করা হবে। তাঁদের নিজেদের এলাকাতেই কাজ দেওয়া হবে। বিএলওরা ভোটারদের বাড়ি চেনেন না। তাঁরা গ্রামে গিয়ে সমস্যায় পড়তে পারেন। সেক্ষেত্রে ভলান্টিয়াররা তাঁদের বাড়িতে নিয়ে যাবেন। ফর্ম বিলি থেকে তথ্য নেওয়া, সব কাজেই তাঁরা সহযোগিতা করবেন। প্রশিক্ষণ দিয়েই তাঁদের ময়দানে নামানো হচ্ছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় ভলান্টিয়ার পাওয়া কমিশনের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। সব এলাকায় সরকারি কর্মী নেই। সেক্ষেত্রে কী করা হবে, সেই গাইডলাইন স্পষ্ট করে দেওয়া হয়নি। বিএলও পেতেই আধিকারিকদের কালঘাম ছুটে গিয়েছিল। এবার ভলান্টিয়ার পেতেও একই অবস্থা হবে। বুধবার কমিশনের পক্ষ থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলায় সর্বদলীয় বৈঠক করা হয়। অন্যান্য জেলাগুলিতেও বৈঠক হয়েছে। এসআইআরের প্রতিটি নিয়ম সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিএলওদের দেওয়া ফর্মে পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে। সেটা খুব বেশি পুরনো হলে চলবে না। ফর্মে আধার নম্বর ও মোবাইল নম্বর দিতে হবে। এছাড়া, বাবা-মায়ের নাম, তাঁদের এপিক কার্ডের নম্বর দিতে হবে। ফর্মের নীচে পরিবারের কোনও একজন সদস্যকে সই করতে হবে। কর্মসূত্রে পরিবারের অনেকেই বাড়ির বাইরে থাকেন। তাঁদের নিজেদের ছবি তুলে বাড়িতে পাঠাতে হবে। পরিবারের লোকজন সেই ছবি ফর্মে সাঁটিয়ে দেবেন। তবে, সেক্ষেত্রে তাঁদের সই করার জন্য বাড়ি আসার দরকার হবে না। বর্ধমান শহরের তৃণমূলের সভাপতি তন্ময় সিংহরায় বলেন, এদিন কমিশনের বৈঠকে বেশকিছু প্রশ্ন তুলেছি। কেন্দ্রীয় সরকার আধার কার্ডের জন্য আমজনতাকে লম্বা লাইনে দাঁড় করিয়ে ছবি তুলেছিল। তাহলে, এক্ষেত্রে কেন আমজনতাকে ছবি তুলে দিতে হবে? অনেকেই আছেন, যাঁরা গ্রাম ছেড়ে বহুদূরের ইটভাটায় কাজ করেন। তাঁরা মাসের পর সেখানেই থাকেন। তাঁদের কাছে মোবাইল নেই। সেক্ষেত্র কাজ বন্ধ রেখে তাঁদেরকে বাড়ি ফিরতে হবে। তার জন্য টাকা খরচ করতে হবে। ওই মানুষগুলি কোথায় টাকা পাবে? সেটা কমিশনের ভাবা উচিত ছিল। মানুষকে এভাবে বিপাকে ফেলার কোনও দরকার ছিল না। এটা কমিশনকে জানিয়েছি। এছাড়া, আরও বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন ভোটারদেরও এবার ঘোষণাপত্র দিতে হবে। ৬নম্বর ফর্ম ফিলআপ করার সময়ই তাঁদের ঘোষণাপত্র দেওয়া দরকার। বিএলওরা তিনবার ভোটারদের বাড়িতে যাবেন। ওই সময় তাঁদের সঙ্গে ভলান্টিয়ারদের থাকতে বলা হয়েছে। এই ভলান্টিয়ারের খোঁজ করতেই এখন ময়দানে উত্তীর্ণ হয়েছেন আধিকারিকরা। এসআইআরের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পূর্ণ করাই এখন কমিশনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ