লন্ডন: ওভালের কিউরেটর লি ফর্টিসের সঙ্গে মঙ্গলবার বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছিলেন টিম ইন্ডিয়ার প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। আঙুল উঁচিয়ে চলেছিল তর্কাতর্কি। পিচ পরিদর্শনের সময় ভারতীয়দের বাইশ গজ থেকে ২.৫ মিটার দূরে দাঁড়াতে বলেন কিউরেটর। তাতেই মেজাজ হারান গম্ভীর। এই ইস্যুতে কোচের পাশে দাঁড়িয়ে কিউরেটরকে একহাত নিলেন অধিনায়ক শুভমান গিল। বুধবার মিডিয়ার সামনে তিনি বলেন, ‘যা হয়েছে তা একেবারেই অবাঞ্ছিত। এই প্রথমবার আমরা পিচ দেখতে আসিনি। প্রায় দুইমাস এদেশে আছি। সিরিজে চারটি টেস্ট খেলে ফেলেছি। কোথাও এমন অভিজ্ঞতা হয়নি। কাছ থেকে পিচ দেখার অধিকার অবশ্যই রয়েছে কোচের। এতে কোনও অন্যায় নেই। জানি না, এখানকার কিউরেটর কেন আমাদের কাছ থেকে পিচ দেখার অনুমতি দেননি।’
হেডিংলে, এজবাস্টন, লর্ডস এবং ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্টের আগে এমন কোনও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েনি ভারত। এই প্রসঙ্গে গিল বলেন, ‘রবারের স্পাইক পরে কিংবা খালি পায়ে থাকলে কাছ থেকে পিচ দেখাই যায়। এই সিরিজে চারটি টেস্ট খেলেছি আমরা। কোথাও কেউ আটকায়নি। আমরা সকলেই প্রচুর ক্রিকেট খেলেছি। কোচ-ক্যাপ্টেন মিলে বহুবার পিচ দেখেছি। তাই এত শোরগোল কীসের বুঝছি না।’ এদিনও ওভালের কিউরেটর ভারতীয় কোচ ও ক্যাপ্টেনকে পিচ থেকে একটু সরতে বলেন। তবে তাঁকে বিশেষ পাত্তা দেননি ভারতীয়রা। গম্ভীর তো একেবারে উপেক্ষাই করেন ফর্টিসকে। তবে ইংল্যান্ড দলের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালামের ক্ষেত্রে পিচ নিয়ে কোনও বিধিনিষেধ দেখা যায়নি!
চলতি অ্যান্ডারসন-তেন্ডুলকর ট্রফিতে বারবার দুই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে উত্তেজনার বহিঃপ্রকাশ দেখা গিয়েছে। এ ব্যাপারে গিলের মন্তব্য, ‘একবার মাঠে নামলে জয়ের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ি সবাই। উত্তেজনার বশে কখনও কখনও এমন ঘটনাও ঘটে যায়, যা উচিত নয়। তবে ম্যাচ শেষে পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধার মনোভাবই থাকে।’ শেষ টেস্টের প্রথম এগারো নিয়ে গিল অবশ্য রহস্যই রেখেছেন। তাঁর কথায়, ‘উইকেট পুরো সবুজ। তাই বুমরাহকে নিয়ে সিদ্ধান্ত ম্যাচের আগে নেব। অর্শদীপ সিংকে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। ইংল্যন্ডের দলে কোনও বিশেষজ্ঞ স্পিনার নেই। আমাদের সেখানে রবীন্দ্র জাদেজা এবং ওয়াশিংটন সুন্দর রয়েছে। ম্যাচের দিন সকালে পিচ দেখে এগারো বাছা হবে।’