হারারে: শেষ দশ ম্যাচে জয়ের সংখ্যা মাত্র ১! ভারতীয় ক্রিকেটের হালফিলের পারফরম্যান্স চরম লজ্জার। আয়ারল্যান্ডের কাছে টি-২০ সিরিজে ০-২ হোয়াইটওয়াশ। ইংল্যান্ডে ০-৪ দুরমুশ। এরপর একদিনের সিরিজও ১-২ হার। গৌতম গম্ভীর জমানায় টিম ইন্ডিয়ার দুর্দশা কম নেই। তবে তার মধ্যেও এমন ধারাবাহিক ব্যর্থতা নজরকাড়া। এই আবহেই জিম্বাবোয়ে সফরে গিয়েছে শ্রেয়স আয়ার ব্রিগেড। তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে নিশ্চিতভাবেই জয়ে ফিরতে মরিয়া থাকবে ভারত। বৃহস্পতিবার শুরু প্রথম টি-২০।
সাধারণ মানুষের স্মৃতি বড়োই দুর্বল। তাই জিম্বাবোয়েকে হারালেই নির্ঘাত ভারতের আগের ব্যর্থতা ভুলে যাওয়া হবে। তবে গম্ভীরের পক্ষে সবকিছু ভোলা সহজ হবে না। কারণ, জিম্বাবোয়ে সফরে কোচের দায়িত্বে তিনি নেই। ভিভিএস লক্ষ্মণ আছেন দায়িত্বে। তাঁর তত্ত্বাবধানে মঙ্গলবার অনুশীলনও সেরেছে ভারত। এই সিরিজে নেই সঞ্জু স্যামসন। ফলে তিনটি ম্যাচেই বৈভব সূর্যবংশীর খেলা নিশ্চিত। ১৫ বছর বয়সির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক অবশ্য একেবারেই স্মরণীয় হয়নি। তিন ইনিংসে বৈভবের ব্যাটে এসেছে যথাক্রমে ১৪, ১৩ ও ১৫। জোফ্রা আর্চারের শর্চপিচ ডেলিভারির সামনে অস্বস্তিতে দেখিয়েছে বিস্ময় কিশোরকে। তবে তাকে ফের দেখার অপেক্ষায় বিপক্ষও। জিম্বাবোয়ে ক্যাপ্টেন সিকান্দার রাজা বলেছেন, ‘ও অসম্ভব প্রতিভাবান। ওকে ঠিক ভাবে গাইড করা জরুরি। এমন প্রতিভা প্রজন্মে একটাই আসে।’
শুধু বৈভবই নয়, ক্যাপ্টেন শ্রেয়সের কাছেও এই সফর বাড়তি গুরুত্বের। ভারত অধিনায়ক হিসেবে সাত ম্যাচে এখনও জয়হীন তিনি। ফলে তাঁর দিকে নজর থাকবেই। ফিনিশারের ভূমিকায় নির্বাচকরা দেখতে চাইবেন রিঙ্কু সিং-কেও। অনভিজ্ঞ পেস আক্রমণে আবার ফোকাস অশোক শর্মা, মায়াঙ্ক যাদবদের দিকে। দু’জনেই ঘণ্টায় দেড়শো কিমির বেশি গতিতে বল করার ক্ষমতা ধরেন। এই সিরিজে দু’জনেই চেনাতে মরিয়া থাকবেন।