Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজ অজয়ের উপর সেতুর উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী, খুশি দুই জেলার বাসিন্দারা

আজ, মঙ্গলবার বীরভূমের ইলামবাজার থেকে ভার্চুয়ালি অজয় নদের উপর বহু প্রতীক্ষিত সেতুর উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আজ অজয়ের উপর সেতুর উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী, খুশি দুই জেলার বাসিন্দারা
  • ২৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানকর: আজ, মঙ্গলবার বীরভূমের ইলামবাজার থেকে ভার্চুয়ালি অজয় নদের উপর বহু প্রতীক্ষিত সেতুর উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে সোমবার এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে খুশির হাওয়া। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সোমবার দফায় দফায় আসেন পূর্তদপ্তরের অফিসার ও পুলিস-প্রশাসনের আধিকারিকরা। শিবপুরের দিকে দু’টি মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। একটি মঞ্চে আধিকারিকরা থাকবেন। অন্যটি সাধারণ দর্শকদের জন্য। মঞ্চের ঠিক সামনেই এলসিডি স্ক্রিন রয়েছে। ইলামবাজার থেকে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠান সরাসরি দেখানো হবে।  
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, অজয় নদের উপর স্থায়ী সেতু তৈরি হওয়ার ফলে পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যেও যোগাযোগের পথ সুগম হল। কাঁকসার বাসিন্দা বিপদতারণ অধিকারী বলেন, নদের দুই পাড়ের মানুষজন বিভিন্ন প্রয়োজনে নদ পেরিয়ে যাতায়াত করেন। একদিকে পশ্চিম বর্ধমানের শিবপুর অন্যদিকে বীরভূমের জয়দেব কেঁদুলি। এতদিন অস্থায়ী সেতু ছিল। নদের বুকে হিউম পাইপ, মোরাম, বোল্ডার দিয়ে তা তৈরি হতো। নদে জল বাড়লে যাতায়াতে সমস্যা হতো। অস্থায়ী সেতু ভেসে যেত। পারাপারে ভরসা ছিল নৌকা। কিন্তু অজয়ের ভয়াল রূপ দেখে অনেক সময় নৌকাও বন্ধ রাখা হতো। এবার থেকে সেই সমস্যা আর থাকবে না। 
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে কাঁকসার একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী নতুন সেতু তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু জমিজট সহ বিভিন্ন কারণে সেতু নির্মাণে বেশ কিছুটা সময় লাগল। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, একবার অজয় নদের বন্যায় সেতুর নির্মাণ সামগ্রী সহ বেশকিছু জিনিসপত্র ভেসে যায়। তাতে সমস্যায় পড়তে হয় নির্মাণকারী সংস্থাকে। তাছাড়া নদের জল কেমন থাকছে তার উপর নির্মাণকাজ নির্ভর করে। তবে সব সমস্যা মিটিয়ে অবশেষে সেতু উদ্বোধন হবে। সেতুটি শিবপুর এলাকায় শুরু হয়ে ইলামবাজারের টিকরবেতায় শেষ হয়েছে। সেতুটির মোট দৈর্ঘ্য ২.৭৩ কিলোমিটার। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অস্থায়ী সেতু জলে ভেসে গেলে দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াতে ভোগান্তি হতো। এবার রাস্তা অনেকটাই কমে যাবে। ইলামবাজার হয়ে ঘুরে দুর্গাপুর মুচিপাড়া যেতে হলে কমপক্ষে ২৫কিলোমিটার রাস্তা বেশি যেতে হয়। এই সেতু চালু হলে মুচিপাড়া-শিবপুর রাস্তা ধরে শান্তিনিকেতন যাওয়ার দূরত্ব প্রায় ২২-২৫কিলোমিটার কমে যাবে। তৃণমূলের কাঁকসা ব্লক সভাপতি নবকুমার সামন্ত বলেন, অস্থায়ী সেতু থাকার ফলে জয়দেব মেলা যেতে গিয়ে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটত। মানুষের পাশাপাশি তীর্থযাত্রীদের সুবিধা হবে। এলাকার অর্থনীতির উন্নতি ঘটবে।  সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে মঞ্চ তৈরি হচ্ছে।-নিজস্ব চিত্র
সংবাদদাতা, মানকর: আজ, মঙ্গলবার বীরভূমের ইলামবাজার থেকে ভার্চুয়ালি অজয় নদের উপর বহু প্রতীক্ষিত সেতুর উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে সোমবার এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে খুশির হাওয়া। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সোমবার দফায় দফায় আসেন পূর্তদপ্তরের অফিসার ও পুলিস-প্রশাসনের আধিকারিকরা। শিবপুরের দিকে দু’টি মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। একটি মঞ্চে আধিকারিকরা থাকবেন। অন্যটি সাধারণ দর্শকদের জন্য। মঞ্চের ঠিক সামনেই এলসিডি স্ক্রিন রয়েছে। ইলামবাজার থেকে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠান সরাসরি দেখানো হবে।  
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, অজয় নদের উপর স্থায়ী সেতু তৈরি হওয়ার ফলে পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি হবে। উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যেও যোগাযোগের পথ সুগম হল। কাঁকসার বাসিন্দা বিপদতারণ অধিকারী বলেন, নদের দুই পাড়ের মানুষজন বিভিন্ন প্রয়োজনে নদ পেরিয়ে যাতায়াত করেন। একদিকে পশ্চিম বর্ধমানের শিবপুর অন্যদিকে বীরভূমের জয়দেব কেঁদুলি। এতদিন অস্থায়ী সেতু ছিল। নদের বুকে হিউম পাইপ, মোরাম, বোল্ডার দিয়ে তা তৈরি হতো। নদে জল বাড়লে যাতায়াতে সমস্যা হতো। অস্থায়ী সেতু ভেসে যেত। পারাপারে ভরসা ছিল নৌকা। কিন্তু অজয়ের ভয়াল রূপ দেখে অনেক সময় নৌকাও বন্ধ রাখা হতো। এবার থেকে সেই সমস্যা আর থাকবে না। 
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে কাঁকসার একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী নতুন সেতু তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু জমিজট সহ বিভিন্ন কারণে সেতু নির্মাণে বেশ কিছুটা সময় লাগল। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, একবার অজয় নদের বন্যায় সেতুর নির্মাণ সামগ্রী সহ বেশকিছু জিনিসপত্র ভেসে যায়। তাতে সমস্যায় পড়তে হয় নির্মাণকারী সংস্থাকে। তাছাড়া নদের জল কেমন থাকছে তার উপর নির্মাণকাজ নির্ভর করে। তবে সব সমস্যা মিটিয়ে অবশেষে সেতু উদ্বোধন হবে। সেতুটি শিবপুর এলাকায় শুরু হয়ে ইলামবাজারের টিকরবেতায় শেষ হয়েছে। সেতুটির মোট দৈর্ঘ্য ২.৭৩ কিলোমিটার। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অস্থায়ী সেতু জলে ভেসে গেলে দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াতে ভোগান্তি হতো। এবার রাস্তা অনেকটাই কমে যাবে। ইলামবাজার হয়ে ঘুরে দুর্গাপুর মুচিপাড়া যেতে হলে কমপক্ষে ২৫কিলোমিটার রাস্তা বেশি যেতে হয়। এই সেতু চালু হলে মুচিপাড়া-শিবপুর রাস্তা ধরে শান্তিনিকেতন যাওয়ার দূরত্ব প্রায় ২২-২৫কিলোমিটার কমে যাবে। তৃণমূলের কাঁকসা ব্লক সভাপতি নবকুমার সামন্ত বলেন, অস্থায়ী সেতু থাকার ফলে জয়দেব মেলা যেতে গিয়ে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটত। মানুষের পাশাপাশি তীর্থযাত্রীদের সুবিধা হবে। এলাকার অর্থনীতির উন্নতি ঘটবে।

Advertisement

সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে মঞ্চ তৈরি হচ্ছে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ