Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গন্ধেশ্বরী নদীর পাড় দখলমুক্ত করা শুরু

বাঁকুড়ায় গন্ধেশ্বরী নদীর পাড়ে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসা বন্ধ করল পুলিস।

গন্ধেশ্বরী নদীর পাড় দখলমুক্ত করা শুরু
  • ২০ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বাঁকুড়ায় গন্ধেশ্বরী নদীর পাড়ে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসা বন্ধ করল পুলিস। ‘বর্তমান’ পত্রিকার খবরের জেরে সোমবার পুলিস এই ব্যবস্থা নেয়। ব্যবসায়ীদের বলে নদীর পাড়ে রাখা ইট, পাথর, বালি সরানো হয়েছে।

Advertisement

পুলিস আধিকারিকরা জানান, সেচদপ্তর নদীর পাড় দখলমুক্ত করতে উদ্যোগী হয়নি। এবিষয়ে সেচদপ্তরের বাঁকুড়া ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার শুভাশিস পাত্র মন্তব্য করতে চাননি। তবে ওই দপ্তরের অপর এক আধিকারিক বলেন, আমাদের লোকবল কম। সেজন্য সর্বত্র নজরদারি চালানো সম্ভব হয় না। বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি বলেন, নদীর পাড় দখল বরদাস্ত করা হবে না। সদর থানার পুলিসকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পুলিস পাড় থেকে ওই নির্মাণসামগ্রী সরানোর ব্যবস্থা করেছে। সংস্কারের অভাবে গন্ধেশ্বরী নদী মজে গিয়েছে। 
বাঁকুড়া শহরের পাশ দিয়ে বয়ে চলা ওই নদীতে সারাবছর জল থাকে না। তবে বর্ষায় বৃষ্টির জলে নদী ফুলেফেঁপে ওঠে। শুখা মরশুমে নদীর পাড় ও চর দখলের চক্র সক্রিয় হয়েছে। নদীর পাড়ে স্থায়ী কাঠামো গড়ে দোকানপাট হয়েছে। চারচাকা গাড়ি, পণ্যবাহী ট্রাক, ডাম্পার দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। সম্প্রতি নদীর পাড়ে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসা নিয়ে পরিবেশপ্রেমী সহ বিভিন্ন মহলে শোরগোল পড়ে। ‘বর্তমান’ পত্রিকায় এখবর প্রকাশের পর পুলিস নদীর পাড়ে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসা বন্ধে পদক্ষেপ করে। আগামী দিনেও নদীর পাড় দখলমুক্ত করতে অভিযান চলবে বলে পুলিস জানিয়েছে।
বাঁকুড়া শহরের ৭নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার দিলীপ আগরওয়াল বলেন, পাড় দখলের পর নদীগর্ভেও ভিত করে বাড়ি তৈরি হচ্ছিল। আমি আন্দোলন করে তা বন্ধ করিয়েছি। সেচ ও ভূমিদপ্তর নজর না দিলে কয়েকবছরের মধ্যে গন্ধেশ্বরী নদীর অস্তিত্ব থাকবে বলে মনে হয় না।
গন্ধেশ্বরী নদী বাঁচাও কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সন্তোষ ভট্টাচার্য বলেন, পুলিসের তৎপরতাকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। তবে এখনও নদীর পাড় দখল করে তৈরি দোকানপাট রয়ে গিয়েছে। সেচদপ্তর ও প্রশাসনকে সেগুলি সরানোর বিষয়ে উদ্যোগী হতে হবে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ