সংবাদদাতা, বহরমপুর: ‘বর্তমান পত্রিকা’র খবরের জেরে বহরমপুর সদর পশ্চিম চক্রের সমস্ত বিদ্যালয়ে জলাধার ও পাইপলাইন সাফাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক শুভাশিস দে’র নির্দেশিকা পেয়ে ৭৪টি স্কুল কর্তৃপক্ষ কাজ শুরু করেছে। রবিবার স্কুল ছুটি থাকলেও সাফাইয়ের কাজ চলবে। শুভাশিসবাবু বলেন, গরমের ছুটির পর অভিভাবকরা পানীয় জলের ট্যাঙ্ক ও পাইপলাইন পরিষ্কারের দাবি তুলেছিলেন। সেই দাবি মেনে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে।
একমাস গরমের ছুটির পর ২জুন সমস্ত স্কুল খুলেছে। এরপরই বিভিন্ন বিদ্যালয়ে অভিভাবকরা পানীয় জলের ট্যাঙ্ক ও পাইপলাইন সাফাইয়ের দাবি তোলেন। অভিভাবকদের দাবি, একমাস স্কুল ছুটি ছিল। এই সময়ে জলের ট্যাঙ্ক ও পাইপলাইনে শ্যাওলা জমা অস্বাভাবিক নয়। মশার লার্ভা, জীবাণুও জমতে পারে। সেই জল পান করলে পড়ুয়ারা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। বিষয়টি নিয়ে ‘বর্তমান পত্রিকা’য় খবর প্রকাশিত হয়। এরপরই সংশ্লিষ্ট দপ্তর নড়েচড়ে বসে। স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে নির্দেশিকা পাঠানো হয়।
ভাকুড়ি জুনিয়র বেসিক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শ্রীময়ী চক্রবর্তী বলেন, পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই পানীয় জলের ট্যাঙ্ক ও পাইপলাইন জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা হয়েছে। ২নম্বর তেজপাল লোহিয়া জিএসএফপি স্কুলের প্রধান শিক্ষক অনিন্দ্য সিনহা বলেন, অ্যাসিড, ব্লিচিং পাওডার ব্যবহার করে জলাধার জীবাণুমুক্ত করার পর কয়েকবার পরিষ্কার জল দিয়ে ধোয়া হয়েছে। সোমবার থেকে পড়ুয়ারা সম্পূর্ণ পরিস্রুত জল পাবে। ৯ নম্বর বদরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়েও জলাধার সাফাই হয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক প্রণব সিনহা জানান। বাসন্তী দে নামে এক অভিভাবিকা বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষের কাজে নিশ্চিন্ত হলাম। এটা খুবই প্রয়োজন ছিল।