Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নিয়মিত ক্লাস হয় না, প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা

একাংশ শিক্ষক নিয়মিত আসছেন না। স্কুল ফান্ডের টাকা অ্যাকাউন্টে জমা না করে ক্লার্কের কাছে রাখা হচ্ছে।

নিয়মিত ক্লাস হয় না, প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা
  • ২৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: একাংশ শিক্ষক নিয়মিত আসছেন না। স্কুল ফান্ডের টাকা অ্যাকাউন্টে জমা না করে ক্লার্কের কাছে রাখা হচ্ছে। প্র্যাকটিকাল ক্লাস হয় না। টাকা জমা নেওয়ার তিন মাস পরেও ছাত্রদের দেওয়া হয়নি আইকার্ড। রসিদ না দিয়েই ফি নেওয়া হয়েছে- এমন একাধিক অনিয়মের অভিযোগ ইসলামপুর হাইস্কুলে। বুধবার প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকেরা। দুপুরে দীর্ঘ সময় বিক্ষোভ চলার পর অভিভাবকেরা অভিযোগপত্র জমা করেন এবং সমস্যার সমাধানের দাবি জানান। প্রধান শিক্ষক মহম্মদ সলিমুদ্দিন আহমেদের আশ্বাসে অভিভাবকেরা শেষ পর্যন্ত বিক্ষোভ বন্ধ করেন। এদিন ইসলামপুর হাইস্কুল গার্জিয়ান ফোরামের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল।

Advertisement

ফোরামের সভাপতি প্রলয় ঘোষ বলেন, তিন মাস আগে আইকার্ডের জন্য ৫০ টাকা করে নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ছাত্রদের আইকার্ড দেওয়া হয়নি। এখনও পর্যন্ত অনেক ছাত্র স্কুলড্রেস পায়নি। বার্ষিক ফি বাবদ জমা দেওয়া টাকা স্কুল অ্যাকাউন্টে জমা না দিয়ে করণিক নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। ইচ্ছেমতো ছুটি নিচ্ছেন একাংশ শিক্ষক। জিওগ্রাফি প্র্যাকটিক্যাল রুমের জন্য পাঁচ মাস আগে ৮৭ হাজার টাকায় ব্যারোমিটার আনা হয়েছে। কিন্তু সেটা এখনও ব্যবহার করা হচ্ছে না।
অভিভাবক তুলিকা মণ্ডল বলেন, এই স্কুলে কাগজে কলমে ৪৫ জন শিক্ষক আছেন। কিন্তু অনেকেই উপস্থিত থাকেন না। বেলা ১২ টার সময়ও নাম প্রেজেন্ট হয়নি। ছাত্ররা ব্যাগ পিঠে নিয়ে মাঠে ঘোরাঘুরি করছে। এভাবে একটি স্কুলে পঠনপাঠন চলবে? এতে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ কী হবে?
অন্যান্য অভিভাবকেরা বলছেন, সারা বছর ফিজিক্যাল এডুকেশন ও ওয়ার্ক এডুকেশন পড়ানো হয় না। শুধুমাত্র পরীক্ষার সময় ফার্স্ট এইড বক্স বানিয়ে আনতে বলা হয়। এক সপ্তাহেব মধ্যে এই সমস্ত অব্যবস্থা না মিটলে লাগাতার আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছে ফোরাম।
অভিভাবক মৌমিতা দাসের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ে ক্লাস হচ্ছে না। ফলে খুদে ছাত্ররা ক্লাসে নিজেদের মধ্যে মারপিট করে। এই স্কুলের সুনাম ছিল। কিন্তু এখন পড়াশোনা হচ্ছে না বললেই চলে। পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা হচ্ছে।
প্রধান শিক্ষক মহম্মদ সলিমুদ্দিন বলেন, সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ