সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: চারমাস ধরে বেতন পাননি দ্বারিকায় ২৪ বছরের পুরনো সিমেন্ট কারখানার শ্রমিকরা। চলতি বছরে বোনাস থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। এমনকী কয়েকদিন ধরে হাজিরাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দিশাহারা শ্রমিকরা বিষ্ণুপুরের বিধায়ক এবং প্রশাসনের আধিকারিকদের দ্বারস্থ হলেন। শ্রমিকদের অভিযোগ, কারখানা কর্তৃপক্ষ প্রথম থেকেই কম বেতনে কাজ করিয়েছে। গত চারমাস ধরে বেতন মেলেনি। বোনাসও দেয়নি। গ্র্যাচুইটির টাকাও দেয়নি। এখন আবার হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরও করতে দেওয়া হচ্ছে না। শ্রমিকদের পাওনা থেকে বঞ্চিত করে কর্তৃপক্ষ পাততাড়ি গুটোতে চাইছে। তাই তাঁরা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধির দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁদের কাছে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন।
Advertisement
এ প্রসঙ্গে ওই কারখানার ম্যানেজার চন্দন গুইন বলেন, গত ১ বছর ধরে কারখানায় উৎপাদন বন্ধ। শ্রমিকদের দাবি দাওয়া নিয়ে আমরা মালিককে জানিয়েছি। বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ বলেন, দ্বারিকায় একটি সিমেন্ট কারখানার কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের প্রথম থেকেই বঞ্চিত করে আসছে। এখন শ্রমিকদের বকেয়া না মিটিয়েই পালাতে চাইছে। সেটা আটকানোর জন্য আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি। বিষয়টি নিয়ে শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। ওই কারখানার শ্রমিক বদুরুদ্দিন হাজারি বলেন, ২০০০ সালে কারখানা চালুর সময় থেকেই আমি কাজ করছি। সরকার নির্ধারিত বেতন কোনও দিনই দেয়নি। তা সত্ত্বেও বাড়ির কাছে হওয়ায় আমরা এতবছর ধরে কাজ করে আসছি। চলতি বছর পুজোর আগে থেকেই বেতন দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। পুজোর বোনাসও দেয়নি। তা সত্ত্বেও আমরা প্রতিদিন কাজে গিয়েছি। কিন্তু চলতি মাসের ১ তারিখ থেকে আমাদের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে দেওয়া হয়নি। কর্তৃপক্ষ বকেয়া বেতন, গ্র্যাচুইটির টাকা মেরে দিয়ে এখান থেকে পাততাড়ি গুটোনোর মতলব এঁটেছে। সেজন্য আমরা প্রশাসন থেকে শুরু করে শ্রমদপ্তর, বিধায়ক এমনকী থানায় পর্যন্ত লিখিতভাবে জানিয়েছি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুরের দ্বারিকা শিল্পতালুকে ২০০০ সালে ওই সিমেন্ট কারখানাটি (মিনি প্লান্ট) চালু হয়। সেখানে প্রায় ৫০ জন শ্রমিক কাজ করেন। একবছর আগে কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। তবে কারখানার গেট নিয়মিত খোলা হয়। ফের উৎপাদন হবে, এই আশায় শ্রমিকরা নিয়মিত কারখানায় যান। কিন্তু পুজোর আগে থেকে বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়। বোনাসও দেওয়া হয়নি। চলতি মাসের প্রথম থেকে কারখানায় হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুরের দ্বারিকা শিল্পতালুকে ২০০০ সালে ওই সিমেন্ট কারখানাটি (মিনি প্লান্ট) চালু হয়। সেখানে প্রায় ৫০ জন শ্রমিক কাজ করেন। একবছর আগে কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। তবে কারখানার গেট নিয়মিত খোলা হয়। ফের উৎপাদন হবে, এই আশায় শ্রমিকরা নিয়মিত কারখানায় যান। কিন্তু পুজোর আগে থেকে বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়। বোনাসও দেওয়া হয়নি। চলতি মাসের প্রথম থেকে কারখানায় হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।



