Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চন্দ্রপুলি ও নাড়ুর সঙ্গে টক্করে কড়মড়ে চকোলেটের আস্তরণ দেওয়া রসগোল্লা

রসগোল্লা-সন্দেশের মতো মিষ্টিতেই বছরভর মজে থাকে মিষ্টান্নপ্রেমীরা। উৎসব-পার্বণে কিছুটা এক্সপেরিমেন্ট

চন্দ্রপুলি ও নাড়ুর সঙ্গে টক্করে কড়মড়ে চকোলেটের আস্তরণ দেওয়া রসগোল্লা
  • ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রসগোল্লা-সন্দেশের মতো মিষ্টিতেই বছরভর মজে থাকে মিষ্টান্নপ্রেমীরা। উৎসব-পার্বণে কিছুটা এক্সপেরিমেন্ট। ফলে দুর্গাপুজোয় স্বাদবদল ফিউশন মিষ্টি দিয়ে। তবে সঙ্গে সাবেক অভ্যাসের নারকেল নাড়ু, চন্দ্রপুলিও থাকবে। ফলে কেউ কেউ নারকেলকে ফিউশন মিষ্টির হাতিয়ার করেছেন এবার।

Advertisement

মিষ্টি প্রস্তুতকারক বাঞ্ছারামের রকমারি সন্দেশ পছন্দ বহু মানুষের। পুজোয় তারা নিয়ম করে চিনি ও গুড়ের নাড়ু তৈরি করে। এই সংস্থার বিপণন কর্তা শিখরেশ সাহা বলেন, ‘চন্দ্রপুলির চাহিদা বেড়েছে অনেকটাই। সঙ্গে ঘিয়ে ভাজা সীতাভোগ, মিহিদানা।’ এছাড়া হাওড়ার ব্যাতাই সংস্থায় এবার যেন নারকেলেরই উৎসব। কর্ণধার সৈকত পালের কথায়, ‘চন্দ্রপুলির পাশাপাশি আমরা রেখেছি হালকা মিষ্টির ক্রিমি কোকোনাট বরফি। সঙ্গে নারকেল দুধের মালাই দিয়ে তৈরি কোকোনাট মালাই পুলি। ছানা আর নারকেল মিলিয়ে ভাজা মিষ্টি তৈরি হয়েছে তোতাপুলির কায়দায়। আর রয়েছে বিশেষ মিষ্টি কিটক্যাট রসগোল্লা। চকোলেট ক্রিমের রসগোল্লার উপর কড়মড়ে চকোলেটের আস্তরণ।’
দেশপ্রিয় সুইটসে এবার নজর কাড়ছে পেস্তা সন্দেশ ও নলেন গুড়ের রসগোল্লা। ডিরেক্টর সমীর ঘোষের কথায়, ‘দোকানের জনপ্রিয় আইটেম মালাই পাতুরি। ছানার মিষ্টির উপর মালাইয়ের আস্তরণ। তার উপর বাটারস্কচের দানা। পেল্লায় আকারের রসগোল্লা ও সন্দেশের চাহিদাও রয়েছে।’ মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠান মিঠাই এবারও এনেছে বেকড মিহিদানা। সঙ্গে বেকড সন্দেশ। চিনি কম থাকায় মানুষের তা পছন্দ, দাবি মিঠাইয়ের কর্ণধার ও মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠানগুলির সংগঠন মিষ্টি উদ্যোগের সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জন ঘোষের। তাঁর কথায়, ‘কুমকুম সন্দেশটি চেনা রসকদম্বের একটি স্পেশাল সংস্করণ। রসের মিষ্টিটি সামান্য শুকিয়ে তার সঙ্গে ভ্যানিলার রসায়ন তৈরি করা হয়।’ মিষ্টি উদ্যোগের অন্যতম সদস্য কোন্নগরের কালীমাতা সুইটসের কর্ণধার স্বরূপ দত্ত জানান, তুমুল চাহিদা বেকড রসগোল্লা ও বেকড কালাকাঁদের। সঙ্গে ক্ষীরমালাই, বাটার রোল, মালাই চমচমের বিক্রিও ভালো। ঐতিহ্যবাহী, শতাব্দী প্রাচীন ফেলু মোদকের কর্ণধার অমিতাভ দে’র কথায়, ‘ঝুরো দরবেশ, ছানার মুড়কি বা লবঙ্গ লতিকার মতো মিষ্টির জনপ্রিয়তা দশকের পর দশক ধরে টাল খায়নি এতটুকুও। এবার তুমুল চাহিদা সাদা ও গুড়ের নাড়ুর। চিনির বিকল্প হিসেবে নারকেল ফুলের নির্যাস থেকে তৈরি নীরা সন্দেশ, নীরা রাবড়ির চাহিদাও ভালো। এবার পুজোয় নতুন মিষ্টি সুরভি সন্দেশ। পেস্তা, আমন্ড, বাটারস্কচে তৈরি মধু মেশানো সন্দেশ মুখে দিলেই মিলিয়ে যায়। পড়ে থাকে বাদামকুচি।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ