নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: চলতি বছরে নভেম্বর পর্যন্ত জলপাইগুড়ি জেলায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জনের। গত বছরের তুলনায় এই সংখ্যাটা কিছুটা কমলেও এগারো মাসে পথ দুর্ঘটনায় এতজনের মৃত্যু যথেষ্টই ভাবাচ্ছে জেলা প্রশাসনকে।
Advertisement
পুলিস প্রশাসনের তথ্য বলছে, গত বছর জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত জলপাইগুড়ি জেলায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ১৩৮ জনের। এবার সংখ্যাটা ১২৭। তবে গত বছরের তুলনায় এবার জেলায় পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে অনেকটাই। গতবার যেখানে জানুয়ারি-নভেম্বর পর্যন্ত ৪৩০টি পথ দুর্ঘটনা ঘটেছিল জেলায়, এবার সেখানে নভেম্বর পর্যন্ত পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা ৪৫৭টি। পথ নিরাপত্তায় জেলাজুড়ে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে জেলা পুলিস প্রশাসন। তারপরও কেন দুর্ঘটনা বাড়ছে, তা নিয়েই শুক্রবার বৈঠক করেন জেলাশাসক শমা পারভীন। বৈঠকে আঞ্চলিক পরিবহণ আধিকারিক, ট্রাফিক পুলিসের ডিএসপি সহ জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। দুর্ঘটনা রুখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও বেশি করে নজর দিতে হবে বলে জানিয়ে দেন ডিএম। শীতে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় অনেক সময় জাতীয় সড়কে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। রাস্তায় আলো, সাইনেজ, রিফ্লেক্টর সব ঠিক আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে বলেন।
জেলায় সবমিলিয়ে ২০টি ব্ল্যাক স্পট বা দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা রয়েছে। এরমধ্যে ১৬টি জলপাইগুড়ি জেলা পুলিসের অধীনে। বাকি চারটি শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেট এলাকার মধ্যে হলেও তা জলপাইগুড়ি জেলার অন্তর্গত। এই ব্ল্যাক স্পটগুলিতে সারাবছরই বাড়তি নজর থাকে জেলা পুলিসের। তবে দেখা যাচ্ছে, বেশ কিছুদিন ধরে ব্ল্যাক স্পটগুলিতে যেভাবে দুর্ঘটনা ঘটছে না। পরিবর্তে ছোট রাস্তায় বিশেষ করে গ্রামের রাস্তায় দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে। সেকারণে বড় রাস্তার পাশাপাশি ছোট রাস্তাতেও দুর্ঘটনা রুখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বৈঠকে।
অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) ধীমান বাড়ুই বলেন, পথ নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের প্রতিমাসেই বৈঠক হয়। এদিনও তেমনই হয়েছে। যেসব এলাকা নতুন করে দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে উঠেছে, সেখানে বাড়তি নজরদারির পাশাপশি পথ নিরাপত্তায় আরও কী পদক্ষেপ করা যায়, সেসব নিয়েই আলোচনা হয়েছে। তবে বড় রাস্তার তুলনায় এখন ছোট রাস্তাতেই বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে।
চলতি বছর জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত জেলায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৯৯। ওই সময়ের মধ্যে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ৩৩২টি। দুর্ঘটনার সংখ্যা কমাতে পুজোর আগে বৈঠক করে বেশকিছু পদক্ষেপ নেয় পুলিস প্রশাসন। ঠিক হয়, বিভিন্ন মহলকে সঙ্গে নিয়ে পুলিস, প্রশাসন ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনা রুখতে একযোগে কাজ করবে। সেইমতো পদক্ষেপ করা হলেও দুর্ঘটনা ও তার জেরে মৃত্যু ঠেকানো যায়নি।
জেলায় সবমিলিয়ে ২০টি ব্ল্যাক স্পট বা দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা রয়েছে। এরমধ্যে ১৬টি জলপাইগুড়ি জেলা পুলিসের অধীনে। বাকি চারটি শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেট এলাকার মধ্যে হলেও তা জলপাইগুড়ি জেলার অন্তর্গত। এই ব্ল্যাক স্পটগুলিতে সারাবছরই বাড়তি নজর থাকে জেলা পুলিসের। তবে দেখা যাচ্ছে, বেশ কিছুদিন ধরে ব্ল্যাক স্পটগুলিতে যেভাবে দুর্ঘটনা ঘটছে না। পরিবর্তে ছোট রাস্তায় বিশেষ করে গ্রামের রাস্তায় দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে। সেকারণে বড় রাস্তার পাশাপাশি ছোট রাস্তাতেও দুর্ঘটনা রুখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বৈঠকে।
অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) ধীমান বাড়ুই বলেন, পথ নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের প্রতিমাসেই বৈঠক হয়। এদিনও তেমনই হয়েছে। যেসব এলাকা নতুন করে দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে উঠেছে, সেখানে বাড়তি নজরদারির পাশাপশি পথ নিরাপত্তায় আরও কী পদক্ষেপ করা যায়, সেসব নিয়েই আলোচনা হয়েছে। তবে বড় রাস্তার তুলনায় এখন ছোট রাস্তাতেই বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে।
চলতি বছর জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত জেলায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৯৯। ওই সময়ের মধ্যে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ৩৩২টি। দুর্ঘটনার সংখ্যা কমাতে পুজোর আগে বৈঠক করে বেশকিছু পদক্ষেপ নেয় পুলিস প্রশাসন। ঠিক হয়, বিভিন্ন মহলকে সঙ্গে নিয়ে পুলিস, প্রশাসন ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনা রুখতে একযোগে কাজ করবে। সেইমতো পদক্ষেপ করা হলেও দুর্ঘটনা ও তার জেরে মৃত্যু ঠেকানো যায়নি।



