Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে শিশুর মৃত্যু

বুধবার দুপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কান্দির গোকর্ণ। শহরের রামেশ্বরপুরের কুমারষণ্ডে এলাকায় বিস্ফোরণের পর পুরো বাড়িতে আগুন ধরে যায়।

গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে শিশুর মৃত্যু
  • ১৩ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বুধবার দুপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কান্দির গোকর্ণ। শহরের রামেশ্বরপুরের কুমারষণ্ডে এলাকায় বিস্ফোরণের পর পুরো বাড়িতে আগুন ধরে যায়। আগুনে পুড়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ওই পরিবারের আরও পাঁচজন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। সেই আগুন আশপাশের বাড়িতেও ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে ঘর ছেড়ে পালান প্রতিবেশীরা। মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত শিশুকন্যার নাম আমিনা পারভিন। তার বয়স তিন বছর। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে পাশের একটি বাড়ির দেওয়ালে ফাটল ধরে গিয়েছে।

Advertisement

জেলার পুলিশ সুপার কুমারসানি রাজ বলেন, একটি ডোমেস্টিক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। যার জেরেই গোটা বাড়িতে আগুন ধরে যায়। যে কারণে প্রত্যেকের দেহ খুব বেশি করে অগ্নিদগ্ধ হয়। একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বাকিদের মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা চলছে। 
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কুমারসন্ডের বাসিন্দা ডালিম শেখের বাড়িতে রান্না করার সময় গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যায়। তীব্র শব্দে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। পুরো বাড়িতে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। একে অপরকে বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ হন পরিবারের ছয় সদস্যই। প্রতিবেশীরা থানা ও দমকলে খবর দেন। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকল আধিকারিকরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা ও আটকে পড়া সদস্যের উদ্ধারের কাজ শুরু হয়। ছ’জনকেই উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। সেখানেই ওই শিশুর মৃত্যু হয়। পরিবারের বাকি সদস্যদের অবস্থা বেশ সঙ্কটজনক। ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 
পুলিশ জানিয়েছে, জখমরা হলেন রাজিয়া বেওয়া, আনিসুর শেখ, মুনিজা বিবি, ইয়াসমিনা খাতুন ও পারভিন আফরিন। রাজিয়ার মেয়ে মুনিজা ও জামাই আনিসুর। আনিসুরের ছেলের বউ ইয়াসমিনা, নাতনি পারভিন আফরিন। সম্প্রতি মুনিজা স্বামী, ছেলে-ছেলের বউ, নাতনি আমিনাকে নিয়ে কুমারষণ্ডে বাপের বাড়িতে আসেন। এদিন দুপুরে নাতনিকে কোলে নিয়ে বাইরে বসে ছিলেন আনিসুর। ঘরের ভিতরে ছিলেন মুনিজারা। তাঁরা রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। আচমকাই এই দুর্ঘটনা ঘটে। রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ফেটে দগ্ধ হন ছ’জনই। অধিকাংশের দেহের অগ্নিদগ্ধ হওয়ার ক্ষত ৫০ শতাংশের বেশি বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ