Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী আমার উত্তর শুনে খুশি হয়েছেন, জানালেন রবি ঘোষ

মুখ্যমন্ত্রী আমার উত্তর শুনে খুশি হয়েছেন, জানালেন রবি ঘোষ
  • ২৩ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে চেম্বারে কথা হয়েছে, তিনি আমার উত্তর শুনে খুশি হয়েছেন। আসল সত্যটা বুঝেও গিয়েছেন। ট্রেড লাইসেন্স ও মিউটেশনের ফি বৃদ্ধি নিয়ে কোচবিহার পুরসভার সঙ্গে জেলা ব্যবসায়ী সমিতির টানাপোড়েন নিয়ে বৃহস্পতিবার এমনটাই দাবি করলেন পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। দীর্ঘদিন ধরে কোচবিহার জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে এই সমস্ত বিষয় নিয়ে পুরসভার দ্বন্দ্ব চলছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিলিগুড়িতে এলে ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ফি বৃদ্ধি প্রসঙ্গে অভিযোগ জানানো হয়। পরদিন বুধবার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্নের মুখে জানিয়েছিলেন তাঁরা মিথ্যে বলছেন। এরপর তিনি সমস্ত তথ্য তুলে দেওয়ার পাশাপাশি মুখ্য সচিব ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন বলে জানিয়েছেন।

Advertisement

পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, জেলাশাসকের হাতে আগেই তথ্য তুলে দিয়েছি। বুধবার শিলিগুড়িতে সমস্ত তথ্য তুলে দিয়েছি। মুখ্য সচিব সব জেনে গিয়েছেন। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকেও বিস্তারিত বলেছি। আমি চ্যালেঞ্জ করেই বলেছি যে, পুর কর এক পয়সাও বৃদ্ধি হয়নি। ২০১০ সালের অ্যাসেসমেন্ট ২০১২ সালের নির্ধারণ অনুসারে কর সংগ্রহ করা হচ্ছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি বৃদ্ধির যে কথা বলা হয়েছে সেটাও আমি বলেছি। ২০১৯ সালে অনলাইনে চালু হয়েছে। সেটা চেয়ারম্যানের সাধ্য নেই বদল করে। এই বিষয়ে কোনও অভিযোগ আজ পর্যন্ত জমা পড়েনি। অনেকেরই ট্রেড লাইসেন্স নেই। পুরসভার সম্পত্তির কখনওই নামজারি হয় না। রাজ্যের মূল প্রশাসক এত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন। সেখানে ব্যবসায়ী সমিতি একটা অসত্য তথ্য পরিবেশন করল। এটা কাম্য নয়। কোথাও একটা ঘোটালা আছে। মুখ্যমন্ত্রীর চেম্বারে আলাদা ভাবে কথা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আমার উত্তর শুনে খুশি হয়েছেন। তিনি আসল সত্যিটা বুঝেও গিয়েছেন। কোচবিহার জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মতিলাল জৈন বলেন, এবিষয়ে আমার মন্তব্য করার কোনও বিষয় নেই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ