নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: উত্তরবঙ্গ সফরে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, মঙ্গলবার তাঁর সরকারি পরিষেবা প্রদান সংক্রান্ত সভা ছিল ফুলবাড়ির ফুটবল ময়দানে। সেখান থেকেই একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন তিনি।
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: উত্তরবঙ্গ সফরে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, মঙ্গলবার তাঁর সরকারি পরিষেবা প্রদান সংক্রান্ত সভা ছিল ফুলবাড়ির ফুটবল ময়দানে। সেখান থেকেই একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন তিনি।
যার মধ্যে রয়েছে- মাল ব্লকে ১৬২টি এবং নাগরাকাটা ব্লকে ২৮৫টি চা সুন্দরী ঘর নির্মাণ প্রকল্প। যার জন্য ব্যয় হয়েছে ৩১ কোটি ৮ লক্ষ টাকা। রাজগঞ্জ ব্লকে সাহুডাঙি থেকে বেলাকোবা পর্যন্ত ২৩ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে রাস্তা। মালবাজার ব্লকে গজলডোবা ব্যারেজ থেকে ক্রান্তি ওদলাবাড়ি সংযোগকারী বাগানবাড়ি মোড় রাস্তা নির্মাণ। যার জন্য খরচ হয়েছে ১৬ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা। ১০ কোটি টাকার বিনিময়ে হয়েছে বেরুবাড়ি গ্যাস ইন্সুলেটেড সাব স্টেশন। বানারহাট ব্লকে গয়েরকাটা-রামসাই-মধুবনী পার্কের কাছে মাচুয়া নদীর উপর আরসিসি সেতু। যার জন্য ব্যয় হয়েছে ৮ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকা। মালবাজার ব্লকে চেংমারি পিডব্লিউডি রোড থেকে পিএমজিএসওয়াই রোড খাল পাড়া জুনিয়র হাইস্কুল পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ। ব্যয় হয়েছে ৮ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা। জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন ব্লকে ৫০টি ওয়াটার ভেন্ডিং কিয়স্ক নির্মাণ। তার জন্য খরচ হয়েছে সাড়ে ৪ কোটি টাকা। ৪ কোটি ৬ লক্ষ টাকায় হয়েছে মিনগ্লাস চা-বাগানে নলবাহিত পানীয় জল প্রকল্প। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকে আলুর উৎকর্ষ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ৪ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। ধূপগুড়ি কৃষকবাজারের পরিকাঠামো উন্নয়নে ৩ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজগঞ্জ ব্লকে পানকৌড়ি মোড় থেকে হরিহর হাইস্কুল ভায়া মরাডাঙি হাসপাতাল পর্যন্ত পাকা রাস্তা নির্মাণ হয়েছে। যার জন্য ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ১৭লক্ষ টাকা। ধূপগুড়ি ব্লকে গিলান্ডি নদীর উপর সুরক্ষা কাজ এবং রাস্তা-সহ জয়েস্ট সেতু নির্মাণে ২ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা খরচ করা হয়েছে। মালবাজার ব্লকে সুখা ঝোরার উপর বক্স কালভার্ট নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা। ময়নাগুড়ি ব্লকে দ্বারিকামারিতে সালমারা নদীর উপর জয়েস্ট সেতু নির্মাণে ২ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে। ক্রান্তি ব্লকে রাজাডাঙা আঁচল মোড় থেকে দেবীপুর ফ্যাক্টরি মোড় পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ হয়েছে। যাতে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকা। রাজগঞ্জ ব্লকে তালমা নদীর উপর সংযোগ সড়ক এবং সুরক্ষা কাজ-সহ জয়েস্ট সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা। নাগরাকাটা ব্লকে ভবানী শর্মার বাড়ি থেকে বামিয়া মুন্ডার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ। যাতে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা। মাল ব্লকে গোলাপ চাঁদের দোকান থেকে দমদিম টিজি ফ্যাক্টরি গেট হয়ে এনজি ডিভিশন অফিস পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ। যাতে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা। এছাড়া, আরও অনেকগুলি রাস্তা, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, কমিউনিটি হল, ইকো পার্ক, সৌরচালিত পথবাতি, সৌরচালিত পানীয় জল, পানীয় জলের জন্য নলকূপ, দোকানঘর, মাদ্রাসা লাইব্রেরি, মিড-ডে মিলের জন্য ডায়নিং হল, বিভিন্ন স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়ন-সহ অন্যান্য প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর শিলান্যাস প্রকল্পগুলি হল, বানারহাট ব্লকে ৩০ শয্যাবিশিষ্ট গ্রামীণ হাসপাতাল নির্মাণ। বরাদ্দ ৩০ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা। ধূপগুড়ি মহকুমায় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট মহকুমা হাসপাতাল নির্মাণ। যার জন্য বরাদ্দ ২৮ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকা। মাল থেকে বড়দিঘি পর্যন্ত ৯.২ কিমি রাস্তা সংস্কার। বরাদ্দ ১৩ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা। মাল ব্লকে খালপাড়া জুনিয়র হাই স্কুলের কাছে চাংমারি পিডব্লিউডি রোড থেকে পিএমজিএসওয়াই রোড নির্মাণ। এর জন্য খরচ হবে ৮ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা। জেলার বিভিন্ন ব্লকে ৯টি গ্রে ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প। ব্যয় হবে ৮ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকে সলিড ওয়েষ্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প। ব্যয় হবে ৫ কোটি ৪৮ লক্ষ টাকা। ৩৮টি মডেল স্কুল নির্মাণ। খরচ হবে ৫ কোটি টাকা। রাজগঞ্জ ব্লকের ঠাকুর নগরে ১০ শয্যাবিশিষ্ট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ। ব্যয় করা হবে ৪ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা। জেলার বিভিন্ন ব্লকে ৩৫০টি স্থানে সোলার লাইট স্থাপনে খরচ হবে ২ কোটি ২ লক্ষ টাকা। ফালাকাটা ব্লকে এথেলবাড়ি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণে ব্যয় হবে ৭ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা।