নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: ‘আদ্যাপীঠ, রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের মতো সংস্থাগুলি অর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া শিশুদের শিক্ষাদান, স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান, যেকোনো বিপর্যয়ে সেবা দানের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। তাদের কপাল শুধু চন্দন চর্চিত করলে হবে না, এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে আরও সুন্দর করে তোলার ব্যবস্থা করতে হবে।’ বুধবার আদ্যাপীঠ মন্দিরে এসে এই কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সকালে তিনি আদ্যাপীঠের মূল তোরণ, পুনর্নির্মিত মাতৃ আশ্রম এবং অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার উদ্বোধন করেন। গো-সেবার পর আদি মন্দিরে গিয়ে পুজোও দেন শুভেন্দু। তারপর মন্দির ঘুরে তিনি আবাসিক শিশু পড়ুয়াদের সঙ্গে সময় কাটান ও স্তব শোনেন। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই বার্তা দেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আর জি করের ঘটনার মতো পাপ কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য অধ্যাত্মবাদের জাগরণ ঘটাতে হবে। পড়াতে হবে গীতা। পশ্চিমবঙ্গ শুধুমাত্র দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী হয়, আধ্যাত্মবাদেরও রাজধানী। …গেরুয়া শুধু ধর্মীয় রং নয়। এটা ত্যাগ, সংহতি ও কৃচ্ছ্রসাধনের প্রতীক।’ আদ্যাপীঠকে সুন্দর করে সাজাতে সবরকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। এখানকার প্রাথমিক স্কুলের সরকারি অনুমোদনের বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন তিনি। রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন নিগমের লাভের টাকা রাজ্যজুড়ে স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়নে কাজে লাগানোর পাশাপাশি সিমলা স্ট্রিটে স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ির উন্নয়নে পাঁচ কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। আদ্যাপীঠের সাধারণ সম্পাদক ব্রহ্মচারী মুরালভাই বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক স্কুলটির সরকারি অনুমোদন নেই। উনি অনুমোদনের আশ্বাস দিয়েছেন।’



