সংবাদদাতা, কাটোয়া: ছটপুজোর জন্য কাটোয়া, দাঁইহাট ও গুসকরা, তিন শহরেই নদীর ঘাট পরিষ্কার করল পুরসভা। গুসকরা শহরের কুনুর নদীর ঘাটে দু’টি অস্থায়ী ঘাট তৈরি করা হয়েছে। তিন শহরেই বুধবার ঘাট পরিদর্শন করেন পুরসভার চেয়ারম্যানরা। নিরাপত্তাও আঁটোসাটো করা হয়েছে। কাটোয়া ও দাঁইহাট শহর দিয়ে ভাগীরথী নদী বয়ে চলে গিয়েছে। তাই নদীতে ছটপুজোয় যাতে কোনও অঘটন না ঘটে, তারজন্য আগেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। কাটোয়ায় স্পিডবোট নিয়ে নজরদারি চালাবে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের সদস্যরা। কাটোয়া শহরের মোট পাঁচটি স্নানের ঘাট রয়েছে। ২০টি ওয়ার্ডের মানুষ ছটপুজোয় বিভিন্ন স্নানঘাটে যান। পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মী বিজয় অধিকারী বলেন, ঘাটগুলিতে সচেতনতামূলক পোস্টার দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দূষণ রুখতে সবরকম প্রচার চালানো হবে। মেডিক্যাল শিবিরও করা হবে। দাঁইহাট শহরের ২নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়ায় ছটঘাটেই ভিড় জমে। এদিন ওই ঘাট পরিদর্শন করেন চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়। তিনি বলেন, আমরা সবরকম ব্যবস্থা রেখেছি। পাশাপাশি এদিন গুসকরা শহরের কুনুর নদীর ঘাটে ছটপুজোর জন্য সাফাই অভিযান চালানো হয়। কুনুরে স্থায়ী ঘাট নেই। তাই অস্থায়ী ঘাটেই ছটপুজো সারতে হয় বাসিন্দাদের। এদিন গুসকরা পুরসভা থেকে ৩ নম্বর ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে দু’টি অস্থায়ী ঘাট করা হয়। গুসকরা শহরে মূলত ২, ৩ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় কুনুর নদীতে ছটপুজোর জন্য বাসিন্দাদের ভিড় হয়। চেয়ারম্যান কুশল মুখোপাধ্যায় বলেন, ছটপুজো উপলক্ষ্যে কুনুর নদীতে স্থায়ী ঘাট করার জন্য রাজ্য পুর ও নগরন্নোয়ন দপ্তরে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। তা মঞ্জুর হলেই ঘাট করা হবে। এবার কুনুরে প্লাবিত হওয়ার কারণে নদীপাড়ে কাদা হয়ে গিয়েছে।-নিজস্ব চিত্র



