নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও কোচবিহার: দুর্গাপুজোর কার্নিভালের পর ছটপুজো নিয়ে তৈরি হচ্ছে তথ্যচিত্র। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ির মহানন্দা নদীর ঘাটে ড্রোন ক্যামেরা উড়িয়ে ফুটেজ সংগ্রহ করে পুরসভা। বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে তারা ছট নিয়ে তথ্য চিত্র তৈরি করছে। ছটপুজো দেখতে এদিন বিকেল থেকে শহরের বিভিন্ন নদীর ঘাটে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। মেলাও বসে। অন্যদিকে, শব্দ দানব ‘ডিজে’ ও নিষিদ্ধ শব্দবাজির দাপটে অতিষ্ট শহরবাসী। তাঁদের একাংশ পুলিস ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
Advertisement
উত্তরবঙ্গ তো বটেই রাজ্যের মধ্যে শিলিগুড়ির ছটপুজোর আকর্ষণ অন্যতম। শহরের মহানন্দা, বালাসন, পঞ্চনই, চামটা, জোড়াপানি, ফুলেশ্বরী, সাহু প্রভৃতি নদীতে কলাগাছ, আলোর মালা ও ফুল দিয়ে ছটপুজোর ঘাট তৈরি করা হয়েছে। এদিন বিকেল থেকেই প্রতিটি ঘাটে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। কোথাও কোথাও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আসর বসে। মহানন্দা নদীর পাড়ে জলসত্র খুলে ছটব্রতী ও দর্শনার্থীদের মধ্যে জল বিতরণ করা হয়। সেখানে মেলাতেও ব্যাপক ভিড় হয়। অনেকে নিজের বাড়ির ছাদে কিংবা পাড়ায় কৃত্রিম ঘাট তৈরি করে ছটপুজো করেন। সমস্ত ঘাটের ছবি ড্রোন ক্যামেরায় বন্দি করেছে পুরসভা।
শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, দুর্গাপুজোর কার্নিভাল নিয়ে তথ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে। একইভাবে ছটপুজো নিয়েও তথ্যচিত্র তৈরি করা হচ্ছে। কারণ বিহারের পাটনার পর শিলিগুড়ির ছটপুজোর স্থান। এই উৎসবে সর্বস্তরের মানুষ মিলিত হয়েছে।
অন্যদিকে, দুর্গাপুজো ও কালীপুজোর মতো এদিন ছটপুজোতেও ‘ডিজে’ ও নিষিদ্ধ শব্দবাজির দাপট অব্যাহত ছিল। বিকেল থেকেই বিভিন্ন ঘাটে বাজানো হয় ডিজে। সন্ধ্যা নামতেই হিড়িক পড়ে শব্দবাজি ফাটানোর। পরিবেশপ্রেমী অনিমেষ বসু বলেন, দুর্গাপুজো, কালীপুজোর মতো ছটপুজোতেও ডিজে বাজানো ও নিষিদ্ধ শব্দবাজি ফাটানোর আশঙ্কা করা হয়েছিল। তাই হয়েছে। নিয়ম না মেনে সন্ধ্যা থেকেই নিষিদ্ধ শব্দবাজি ফাটানো হয়েছে। পুলিস ও প্রশাসনের উদাসীনতার জেরেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পুলিস ও প্রশাসন অবশ্য জানিয়েছে, নিষিদ্ধ শব্দবাজি ফাটানো ও ডিজে বাজানো নিয়ে কোনও অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ হলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, কোচবিহারের সাগরদিঘি ও তোর্সা নদীতে ছটপুজো করা হয়। ফুলের মালায় ঘাটগুলি সাজিয়ে তোলেন পুজোর উদ্যোক্তারা। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রামেও বিভিন্ন নদীর ঘাটে ছটব্রতীরা ও দর্শনার্থীরা ভিড় করেন।
শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, দুর্গাপুজোর কার্নিভাল নিয়ে তথ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে। একইভাবে ছটপুজো নিয়েও তথ্যচিত্র তৈরি করা হচ্ছে। কারণ বিহারের পাটনার পর শিলিগুড়ির ছটপুজোর স্থান। এই উৎসবে সর্বস্তরের মানুষ মিলিত হয়েছে।
অন্যদিকে, দুর্গাপুজো ও কালীপুজোর মতো এদিন ছটপুজোতেও ‘ডিজে’ ও নিষিদ্ধ শব্দবাজির দাপট অব্যাহত ছিল। বিকেল থেকেই বিভিন্ন ঘাটে বাজানো হয় ডিজে। সন্ধ্যা নামতেই হিড়িক পড়ে শব্দবাজি ফাটানোর। পরিবেশপ্রেমী অনিমেষ বসু বলেন, দুর্গাপুজো, কালীপুজোর মতো ছটপুজোতেও ডিজে বাজানো ও নিষিদ্ধ শব্দবাজি ফাটানোর আশঙ্কা করা হয়েছিল। তাই হয়েছে। নিয়ম না মেনে সন্ধ্যা থেকেই নিষিদ্ধ শব্দবাজি ফাটানো হয়েছে। পুলিস ও প্রশাসনের উদাসীনতার জেরেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পুলিস ও প্রশাসন অবশ্য জানিয়েছে, নিষিদ্ধ শব্দবাজি ফাটানো ও ডিজে বাজানো নিয়ে কোনও অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ হলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, কোচবিহারের সাগরদিঘি ও তোর্সা নদীতে ছটপুজো করা হয়। ফুলের মালায় ঘাটগুলি সাজিয়ে তোলেন পুজোর উদ্যোক্তারা। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রামেও বিভিন্ন নদীর ঘাটে ছটব্রতীরা ও দর্শনার্থীরা ভিড় করেন।



