• সমগ্র বিশ্বের মধ্যে ভারত যে ডায়াবেটিসের রাজধানী হয়ে উঠেছে সেকথা আর নতুন নয়। আর তার মূল কারণই হল খাদ্যাভ্যাস। সম্প্রতি বিশ্ব ডায়াবেটিস ডে উপলক্ষ্যে শহরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন বিশিষ্ট ডায়াবেটোলজিস্ট পদ্মশ্রী ডাঃ শশাঙ্ক যোশী। ছিলেন আমেরিকার মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এবং এন্ডোক্রিনোলজিস্ট ডাঃ জেফ্রি মেকানিকও। ডাঃ যোশী জানান, ভারতের প্রায় ৯ শতাংশ জনগণ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ২০৪৫-এর মধ্যে যা পৌঁছাবে ১১ শতাংশে। তিনি আরও বলেন ৪৫ বছরের বেশি বয়সিদের মধ্যে প্রতি ৫ জনে ১ জন ডায়াবেটিস আক্রান্ত। ৫ জনের মধ্যে ১ জন ব্যক্তি রয়েছেন প্রি-ডায়াবিটিক স্তরে। এদেশে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ ডায়াবেটিসের রোগীর রোগ নির্ণয়ই হয় না। ডাঃ মেকানিক বলেন, প্রি ডায়াবেটিস পর্যায়েও শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন হয় যা হার্টের অসুখ, স্ট্রোক, কিডনির অসুখ, চোখের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। ভারতীয়দের ভুঁড়ি ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গে জমে থাকা ফ্যাটের সঙ্গেও রয়েছে ডায়াবেটিসের সংযোগ। অতএব মাত্রাতিরিক্ত ওজন কমালে কমবে ডায়াবেটিসের আশঙ্কাও। অনুষ্ঠানে উপস্থিত গবেষক ডঃ অ্যাগনেস সিউ লিং তে বলেন, ডায়েটে বা়ড়াতে হবে শাকসব্জির পরিমাণ। সঙ্গে প্রয়োজন এক্সারসাইজ। এভাবেই আমরা লড়তে পারব ডায়াবেটিসের সঙ্গে।



