Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে চৈতালি, জেলা পরিষদের মেন্টর সাবিত্রীর সহযোগী

ইংলিশবাজার পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সদস্য, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পেয়েছিলেন আগেই।

তিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে চৈতালি, জেলা পরিষদের মেন্টর সাবিত্রীর সহযোগী
  • ১৮ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা মালদহ: ইংলিশবাজার পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সদস্য, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পেয়েছিলেন আগেই। এবার মালদহ জেলা পরিষদের কো-মেন্টর পদের দায়িত্বও পেলেন চৈতালি সরকার। একই সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দল চৈতালিকে দেওয়ায় জেলা তৃণমূলের অন্দরেও জোর চর্চা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি জেলা পরিষদের মেন্টর হিসেবে মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রকে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব বেছে নিয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ সহ প্রথম সারির তিনটি পদেই দায়িত্ব দেওয়া হল তৃণমূলের মহিলা নেতৃত্বকে। 

Advertisement

এই বিষয়টি নিয়ে বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে মালদহের রাজনৈতিক মহলে। মঙ্গলবার তাঁর নতুন দায়িত্বের কথা জেনে চৈতালি বলেন, জীবনের ভয়াবহ দুঃসময়ে দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাশে থেকেছেন। আমার স্বামী দুলাল সরকার নৃশংসভাবে খুন হওয়ার পরে মমতাদি আমাদের বাড়িতে ছুটে এসেছেন। তাঁর প্রতি কোনও কৃতজ্ঞতাই যথেষ্ট নয়। চৈতালি যোগ করেন, ছাত্র রাজনীতি থেকে আমি উঠে এসেছি। বরাবরই মমতা দিদির আদর্শে রাজনীতি করেছি। তৃণমূল তৈরি হওয়ার প্রথম দিন দুলাল সরকার ও আমি দলের পতাকা ধরেছিলাম। দলের নির্দেশে ইংলিশবাজার বিধানসভাতেও লড়েছি। দল যা দায়িত্ব দিয়েছে তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করব। পুরসভা পঞ্চায়েত প্রশাসন এবং সংগঠন তিন ক্ষেত্রেই দলের দেওয়া দায়িত্ব পালনে নিজেকে উজাড় করে দেব। সাবিত্রী মিত্রের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁর সঙ্গেই জেলা পরিষদের নতুন দায়িত্ব নেবেন বলেও জানিয়েছেন চৈতালি।অন্যদিকে সাবিত্রী মিত্র, চৈতালিদের দল পরপর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় খুশির মেজাজ তৃণমূলের পুরানো কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। তাঁদের অনেকেই বলেন, সাবিত্রীদি, চৈতালির তৃণমূলের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। দল সঠিক সময়ে সঠিক ব্যক্তিদের বেছে নিচ্ছে। সাবিত্রী বলেন, দলের জেলা সভাপতি থেকে পূর্ণমন্ত্রী-সব দায়িত্বই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে দিয়েছেন। তিনি জননেত্রী এবং আমার অভিভাবিকা। জেলার পঞ্চায়েত পরিষেবা সমাজের সব মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমার লক্ষ্য।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ