সমৃদ্ধ দত্ত, নয়াদিল্লি: পাশ হয়ে গেল শান্তি বিল। সাসটেনেবল হার্নেসিং অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব নিউক্লিয়ার এনার্জি ফর ট্রান্সফর্মিং ইন্ডিয়া বিল, ২০২৫। এই বিলকেই সংক্ষেপে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে শান্তি বিল। বুধবার লোকসভায় এই বিল পাশ হয়েছে। যদিও সম্মিলিতভাবে বিরোধীদের দাবি ছিল এই বিলকে এত তাড়াহুড়ো করে পাশ না করিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হোক। আরও যাচাই করে ভাবনাচিন্তা করে তবেই এই আইন চালু করা উচিত। কংগ্রেস, তৃণমূল, এনসিপি, সমাজবাদী পার্টি সহ তাবৎ বিরোধী দল সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছে, যেভাবে সরকার ভারতের পরামাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষেত্রকে অবাধে দেশি-বিদেশি সংস্থার জন্য খুলে দিতে মরিয়া, সাবধানতা না নিলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। বিরোধীদের অভিযোগ, পরমাণু উৎপাদন কেন্দ্রগুলিতে দুর্ঘটনা সংক্রান্ত দায়বদ্ধতার ব্যবস্থা যথেষ্ট কঠোর নয়। বরং শিথিল। যারা বেসরকারি সংস্থা ও পরমাণু উপকরণ সরবরবাহকারী, বিলে তাদের প্রতি যথেষ্ট দায়বদ্ধতা রাখা হয়নি। এমনকি বড়সড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। ভারতে ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনায় শয়ে শয়ে ভারতীয়ের মৃত্যু হয়েছিল এবং বিদেশি সংস্থা ইউনিয়ন র্কাবাইড কোনও বড়সড় সঙ্কটেও পড়েনি। কর্তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। নামমাত্র ক্ষতিপূরণও সকলে পায়নি। অথচ এরকম এক উদাহরণ থাকা সত্ত্বেও ভারতের রাজ্যে রাজ্যে যাতে অবাধে পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন হতে পারে, সেই লক্ষ নেওয়া হয়েছে।



