সমাবেশ ঠেকাতে মরিয়া কেন্দ্র, ট্রেন আটকানোর অভিযোগ ককরোচদের
  • ১ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রামলীলা ময়দানের সমাবেশে যোগদান আটকানোর জন্য বিভিন্ন রাজ্যে থামিয়ে দেওয়া হচ্ছে ট্রেন। এমনকি বাতিল করা হচ্ছে দিল্লিগামী দূরপাল্লার মেল, এক্সপ্রেস ট্রেন। অনেক জায়গায় শর্ট টার্মিনেট করা হচ্ছে। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছনোর আগে কোনো স্টেশনে যাত্রাপথ শেষ করে দেওয়া হচ্ছে। শনিবার নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে এমনই গুরুতর অভিযোগ তুলেছে ককরোচরা। তাদের হুংকার, মোদি সরকার যতই যা করুক না কেন, কোনোমতেই রামলীলা ময়দানের সমাবেশে স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান বন্ধ করতে পারবে না। যদিও ককরোচদের এমন অভিযোগ প্রকাশ্যে আসা মাত্রই তা উড়িয়ে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। রেলমন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ককরোচরা যে অভিযোগ করছে, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। অর্থহীন অভিযোগ করা হচ্ছে। কোথাও ট্রেন থামিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি বিনা কারণে মেল, এক্সপ্রেস ট্রেন বাতিলও করা হচ্ছে না। বরং দীপাবলি এবং ছট পুজোর কথা মাথায় রেখে সারা দেশেই বাড়তি স্পেশাল ট্রেন চালানো হচ্ছে। উৎসবের মরশুমের কথা মাথায় রেখে শুধুমাত্র মধ্য রেলই সারা দেশে ৪০০টিরও বেশি স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে। তবে রেল বোর্ডের এমন ব্যাখ্যায় বাস্তবিকই ভবি ভুলছে না। ককরোচরা বরং দ্বিগুণ উদ্যমে মোদি সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির কটাক্ষ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসলে ভয় পেয়েছেন। আর সেই কারণেই যেনতেনপ্রকারেণ বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে। বিরোধীদের সভা সমাবেশ ভণ্ডুল করতে চাইছেন। বিজেপি সমর্থিত ব্যবসায়ী সংগঠনগুলিকে দিয়ে লাগাতার চিঠি পাঠাতে হচ্ছে পদ্মশিবিরকে। উল্লেখ্য, আজ, রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সমাবেশের বিরোধিতা করে একের পর এক চিঠি পাঠিয়েছে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলি। তাদের অভিযোগ, দীপাবলি এবং ছটের সময় এমন সমাবেশ হলে ব্যবসা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একদিনেই ব্যবসায়ীদের হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। এমনকি বিরোধী নেতৃত্বের কাছে সমাবেশ দীপাবলি পর্যন্ত স্থগিত রাখার দাবিও জানিয়েছে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলি। 

Advertisement