Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

ওষুধের অস্বাভাবিক দাম নিয়ে চুপ কেন্দ্র

মোদি সরকারের দাবি, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের খরচ ক্রমশ কমছে। গত এক দশকে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাধারণ মানুষের ‘আউট অব পকেট’ খরচ ৬২.৬ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৩৯.৪ শতাংশ।

ওষুধের অস্বাভাবিক দাম নিয়ে চুপ কেন্দ্র
  • ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:১১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মোদি সরকারের দাবি, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের খরচ ক্রমশ কমছে। গত এক দশকে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাধারণ মানুষের ‘আউট অব পকেট’ খরচ ৬২.৬ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৩৯.৪ শতাংশ। যদিও বাস্তবে দিনদিন কেন বাড়ছে ওষুধের দাম?  সবদিক বিবেচনা করে যে ওষুধের দাম হওয়া উচিত ৪৫০ টাকা, সেখানে তার এমআরপি সাড়ে তিন হাজার। আবার কোনওটিতে যেখানে ৮৩১ টাকা দাম হওয়া উচিত, তার এমআরপি ৪ হাজার ৫৬০ টাকা। কেন এত ব্যাপক তফাৎ? অসুস্থ মানুষের সুরাহার বদলে ওষুধের দাম বাড়ছে কার নির্দেশে? সোমবার সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এমনই প্রশ্নের মুখে পড়ল রসায়ন মন্ত্রকের আধিকারিক সহ ন্যাশনাল ফার্মাসিউক্যাল প্রাইসিং অথরিটি (এনপিপিএ)।  কমিটির চেয়ারম্যান তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ তো বটেই, তামিলনাড়ুর কংগ্রেস সাংসদ রবার্ট ব্রুসের মতো কয়েকজন সদস্য সরকার ও সংস্থার প্রতিনিধিদের চেপে ধরেন। যদিও তাঁরা কোনও জবাব দিতে পারেননি বলেই খবর। তাই আগামী বৈঠকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।  বিশেষ সূত্রে খবর, সংসদীয় কমিটির এদিনের বৈঠকে এনপিপিএ স্বীকার করে নিয়েছে যে, কিছু ক্ষেত্রে অসাধু কাজকর্ম তাদেরও নজরে এসেছে।  সময়ে সময়ে কোনও ওষুধের দাম কমে গেলেও দোকানদাররা আগের স্টকের পুরনো মূল্যেই তা বিক্রি করে। এনপিপিএ যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছে যে, সেই কারণেই জনষৌধি কেন্দ্রে অনেক বেশি ছাড়ে ওষুধ পাওয়া যায়। একইভাবে সাধারণ ওষুধের দোকানেও এমআরপি’র ওপর ছাড় মেলে।

Advertisement

কমিটির সদস্যদের একাংশের প্রশ্ন, তাহলে তো এটাই স্পষ্ট যে দাম অনেক কম করাই যায়। যে দাম লেখা থাকে, কোনও ওষুধ তৈরিতে তার চেয়ে অনেক কম খরচ হয়। তাহলে আগেই দাম কম রেখে কেন তা বিক্রি করা হয় না? দোকানদার যদি দাম না কমান, তাহলে তিনি বেআইনি কিছু করছেন না। কিন্তু গ্রাহককে আদতে দিতে হচ্ছে বেশি দামই। এর যুক্তি কী? 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ