সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির নির্দেশিকা মেনে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে তৃণভোজী ও মাংসাশী প্রাণীদের শুমারী শুরু হল। ছ’দিনের এই শুমারী হল রবিবার থেকে।
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির নির্দেশিকা মেনে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে তৃণভোজী ও মাংসাশী প্রাণীদের শুমারী শুরু হল। ছ’দিনের এই শুমারী হল রবিবার থেকে।
চার বছর অন্তর অন্তর এই শুমারী হয়। ৭৬০ বর্গ কিমি আয়তনের বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প জঙ্গলের মোট ৮০টি লোকেশনে এই গণনা শুরু হয়েছে। গণনায় অংশ নিচ্ছেন ২০০ জন বনকর্মী। গত ১৫ জানুয়ারি বক্সার পশ্চিম ডিভিশনের জঙ্গলে বনদপ্তরের ট্র্যাপ ক্যামেরায় ছবি ধরা পড়ে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের। ফলে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে এবারের তৃণভোজী ও মাংসাশী বন্যপ্রাণীর গণনার গুরুত্ব আরও বেড়ে গিয়েছে। এমনটাই মনে করছে বনদপ্তর। গণনায় বাঘের পাগমার্ক, বিষ্ঠা ও পায়ের ছাপের নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
নমুনা সংগ্রহ করে তা পর্যবেক্ষণ করবে বনদপ্তর। নমুনা যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হবে হায়দরাবাদের সেন্টার ফর সেলুলার ও মলিকুলার বায়োলজি পরীক্ষাগারে। সেই রিপোর্ট আসার পর মাংসাশী ও তৃণভোজী প্রাণীদের তালিকা সংখ্যা প্রকাশ করবে এনটিসিএ।
এবারের মাংসাশী ও তৃণভোজী প্রাণীদের গণনায় ব্যবহার করা হচ্ছে এম-স্ট্রাইপস ইকোলজি নামের একটি বিশেষ অ্যাপ। সঙ্গে থাকছে ২৫০টি অত্যাধুনিক ট্র্যাপ ক্যামেরাও। তার সঙ্গেই গণনায় ব্যবহার করা হচ্ছে গ্লোবাল পজিশনিং ডিভাইসও। ১৫ জানুয়ারি ট্র্যাপ ক্যামেরায় বাঘের ছবি ধরা পড়ায় তাই ছয় দিন ধরে এবার নিরলসভাবে গণনার কাজ চলবে। জঙ্গলের ভিতরে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পাগমার্ক ও বিষ্ঠার নমুনা সংগ্রহ করবেন বনকর্মীরা।
২০২১ সালের পর ২০২৩ সালেও বক্সার জঙ্গলে ট্র্যাপ ক্যামেরায় বাঘের ছবি ধরা পড়েছিল। তারপর ফের চলতি বছরে বাঘের ছবি ক্যামেরাবন্দি হয় ট্র্যাপ ক্যামেরায়। ফলে এবারের শুমারী নিয়ে রোমাঞ্চিত ও উত্তেজিত বনদপ্তর। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের পূর্ব ডিভিশনের উপক্ষেত্র অধিকর্তা দেবাশিস শর্মা বলেন, ১৫ জানুয়ারি ফের বাঘের ছবি উঠেছে ট্র্যাপ ক্যামেরায়। ফলে এবারের মাংসাশী ও তৃণভোজী প্রাণীদের গণনার গুরুত্ব বেড়ে গিয়েছে। তাই এবারের গণনা নিয়ে আমরা আরও বেশি করে উৎসাহিত। নিজস্ব চিত্র