Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

সিবিএসই-র অষ্টমের সিলেবাসে এবার থিয়েটার, মিউজিক, ডান্স

শুধুই বিজ্ঞান কিংবা ইতিহাস-ভূগোল নয়। সাহিত্যের পাশাপাশি এবার স্কুল পড়ুয়াদের শিল্পকলা চর্চার উপরও বিশেষভাবে জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।

সিবিএসই-র অষ্টমের সিলেবাসে এবার থিয়েটার, মিউজিক, ডান্স
  • ১৩ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: শুধুই বিজ্ঞান কিংবা ইতিহাস-ভূগোল নয়। সাহিত্যের পাশাপাশি এবার স্কুল পড়ুয়াদের শিল্পকলা চর্চার উপরও বিশেষভাবে জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেইমতোই সিবিএসইর অষ্টম শ্রেণির সিলেবাসে এবার অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে থিয়েটার, মিউজিক থেকে শুরু করে ডান্স মুভমেন্ট এবং ভিস্যুয়াল আর্টসও। দেশের প্রত্যেক রাজ্যের সঙ্গীত এবং প্রাচীন নৃত্যকলাও অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে এই পাঠ্যসূচিতে। এখানেই শেষ নয়। সিবিএসইর অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যক্রমে বাদ্যযন্ত্রের ক্রম বিবর্তন নিয়েও থাকবে বিশেষ অধ্যায়। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষামন্ত্রক। এনসিইআরটির পক্ষ থেকে এই খবর জানানো হয়েছে। এই বিষয়কে যথেষ্টই আকর্ষণীয় এবং অভিনব বলে মনে করছে শিক্ষা বিশেষজ্ঞ মহল। জানা যাচ্ছে, চলতি শিক্ষাবর্ষে যদি সম্ভব নাও হয়, তাহলে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই সিবিএসইর অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে এটি অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। চেষ্টা চলছে যাতে, ২০২৫-২৬ শিক্ষা বছর থেকেই পাঠ্যক্রমে এটি জুড়ে দেওয়া যায়। 

Advertisement

সরকারি সূত্রে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, কেরিয়ার ভাবনার এখন অনেক বিস্তৃতি ঘটেছে। স্কুলপড়ুয়ারা এখন অনেক বেশি তুলনায় ‘অফবিট’ পেশার কথা চিন্তাভাবনা করছে। সেইমতো প্রস্তুতিও নিচ্ছে স্কুল স্তর থেকেই। আর এহেন ‘অফবিট’ কেরিয়ারের ক্ষেত্রে অন্যতম পছন্দ হিসেবে সঙ্গীত কিংবা নাট্যচর্চা উঠে আসছে ইদানীং। ফলে স্কুল স্তর থেকেই এই ব্যাপারে ছাত্রছাত্রীরা বিশেষ শিক্ষা পেলে তাদের ভাবনার জগৎ আরও অনেকটাই প্রসারিত হবে। পরবর্তী ক্ষেত্রে এটি তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতেও বহুলাংশে সহযোগিতা করবে। 
শিক্ষামন্ত্রক সূত্রের খবর, উল্লিখিত চারটি বিষয়ে মোট ১৯টি চ্যাপ্টার পড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত থেকে শুরু করে সরস্বতী প্রমাণ— সিলেবাসের আওতাভুক্ত হচ্ছে প্রায় সবই। ন্যায়শাস্ত্রের উপর কাশ্মীরি দার্শনিক অভিনব গুপ্তার বিশেষ টীকাও অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে সিবিএসইর অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে। শিক্ষামন্ত্রক সূত্রের খবর, সঙ্গীতের উপর পড়াশোনার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হচ্ছে প্রাচীনকালে যা ভক্তিধর্মে কার্যত বিপ্লব ঘটিয়েছিল, সেই ভজন সঙ্গীতের উপরও। এক্ষেত্রে প্রধানত ষষ্ঠ শতাব্দীর ভজন সঙ্গীতের উপরই সবথেকে বেশি ফোকাস করতে চাইছে কেন্দ্র। মীরাবাই, তুলসীদাস, স্বামী হরিদাস, সন্ত কনকদাসের মতো নাম উল্লিখিত পাঠ্যক্রমে জোড়া হচ্ছে। তথ্যাভিজ্ঞ মহলের মতে, প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের ক্রমবিবর্তন নিয়ে যে অধ্যায়—তা জনপ্রিয় হতে চলেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ