নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আর্থিক দুর্নীতি, স্বার্থের সংঘাত, তথ্য গোপন, অর্থের বিনিময়ে দলে সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি— অভিযোগের পাহাড় জমছে সিএবি’তে। এতদিন ইডেন চত্বরে যা কানাঘুষো শোনা যেত, সেটাই এখন লিখিত অভিযোগ আকারে জমা পড়ছে ওম্বুডসম্যান, অ্যাপেক্স কাউন্সিল, সিএবি সচিবের অফিসে। তালিকায় কোষাধ্যক্ষ প্রবীর চক্রবর্তী, যুগ্ম-সচিব দেবব্রত দাস, গ্রাউন্ডস কমিটি তথা বেঙ্গল প্রো টি-২০ লিগের সদস্য অম্বরীশ মিত্র তো ছিলেনই, এবার যুক্ত হল মহাদেব চক্রবর্তীর নাম। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য হয়েছেন। কলকাতা পুলিসের গোয়েন্দা দপ্তরের এসিপি (ওএসডি) পদ থাকাকালীন তিনি কীভাবে অ্যাপেক্স কাউন্সিলে জায়গা পান, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন শ্যামল দাস নামে এক ক্রিকেট অনুরাগী। সিএবি’র নিয়মের চতুর্থ চ্যাপ্টারে ৩৪ (৩) (ডি) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে মহাদেববাবুর বিরুদ্ধে। নিয়মে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী একমাত্র স্পোর্টস কোটায় অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য বা পদাধিকারী হতে পারেন। আর তা মহাদেববাবুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তিনি সরকারি আধিকারিক থাকাকালীন অ্যাপেক্স কমিটির সদস্য হয়েছিলেন। পরে অবসর নিয়েছেন। ফোনে যোগাযোগ করা হলে এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি মহাদেববাবুর। শেষ পর্যন্ত জল কতদূর গড়ায়, সেটাই দেখার।



