Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বৃষ্টি থেকে বাঁচতে দোকানে, স্কুল ছাত্রীকে যৌন হেনস্তা ব্যবসায়ীর

স্কুল থেকে ফেরার পথে হঠাত্ বৃষ্টি। একটি মুদির দোকানে আশ্রয় নিয়েছিল ১৩ বছরের নাবালিকা। চকলেট দেওয়ার কথা বলে যৌন হেনস্তার চেষ্টা করল দোকানদার।

বৃষ্টি থেকে বাঁচতে দোকানে, স্কুল ছাত্রীকে যৌন হেনস্তা ব্যবসায়ীর
  • ২১ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: স্কুল থেকে ফেরার পথে হঠাত্ বৃষ্টি। একটি মুদির দোকানে আশ্রয় নিয়েছিল ১৩ বছরের নাবালিকা। চকলেট দেওয়ার কথা বলে যৌন হেনস্তার চেষ্টা করল দোকানদার। বিষয়টি বুঝতে পেরে নাবালিকা পালিয়ে বাড়িতে বিষয়টি জানানোর পরেই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে অভিভাবকদের মধ্যে। কুমারগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ হওয়ার পর দোকানদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।

Advertisement

অন্যদিকে, বালুরঘাটে মঙ্গলবার রাতে প্রতিবেশীর বাড়িতে ঢুকে নাবালিকার শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে এক প্রৌঢ়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। দক্ষিণ দিনাজপুরের পুলিস সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, দু’টি ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রথম ঘটনাটি কুমারগঞ্জ ব্লকের। গত মঙ্গলবার স্কুল ছুটির পর ওই নাবালিকা একাই বাড়ি ফিরছিল। বৃষ্টি শুরু হলে মুদির দোকানে আশ্রয় নেয়। প্রথমে ওই নাবালিকাকে চকলেট দেয় দোকানদার। এরপর তাকে ডেকে দোকানের ভিতর দিয়ে ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে শ্লীলতাহানি করে। পুলিস সূত্রে খবর, ধৃতের নাম সুনীল মুর্মু। কিশোরীর বাবা বলেন, আমার মেয়েকে যৌন হেনস্তা করেছে। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে লিখিত অভিযোগ করেছি। 
দ্বিতীয় ঘটনাটি বালুরঘাট শহর লাগোয়া একটি গ্রামে। দু’দিন আগে ১৩ বছর বয়সী নাবালিকা রাতে তার মায়ের সঙ্গে ঘুমোচ্ছিল। গরমের জন্য খোলা রাখা ছিল দরজা। সেই সুযোগে অভিযুক্ত প্রৌঢ় বাড়ির পাঁচিল টপকে ঘরে ঢুকে নাবালিকার শ্লীলতাহানি করে। নাবালিকার মা ভয়ে চিৎকার শুরু করলে তাঁরও শ্লীলতাহানি করা হয়। পাশের ঘর থেকে নাবালিকার বাবা ছুটে গেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্তর ছেলে। তারাও পালটা বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। যুবকের দাবি, তার বাবাকে বিনা কারণে মারধর করা হয়েছে। তবে, পকসো মামলায় অভিযুক্ত প্রৌঢ়কে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ