Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রাস্তার উপর যেখানে সেখানে বাস-টোটো, সমস্যায় স্থানীয়রা

রাস্তার উপর যেখানে সেখানে বাস-টোটো, সমস্যায় স্থানীয়রা
  • ২৩ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: নবদ্বীপ ব্লকের বাবলারি পঞ্চায়েত এলাকায় নেই কোনও স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড। নেই টোটো স্ট্যান্ডও। চারমাথার মোড়ে রাস্তার উপর যত্রতত্র দাঁড়িয়ে থাকছে বাস ও টোটো। ফলে, প্রতিদিন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পথচারী ও পড়ুয়াদের। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে বাবলারিতে একটি স্থায়ী বাস ও টোটো স্ট্যান্ড করা হোক। কারণ, বাবলারি থেকে প্রচুর যাত্রীবাহী বাস ছাড়ে। এদিকে, প্রায় দু’বছর আগে গুরুত্বপূর্ণ এই চারমাথার মোড়ে একটি পুরনো প্রতীক্ষালয় ভেঙে পঞ্চায়েতের তরফে তিনটি দোকানঘর তৈরি করা হয়। তবে, আজও সেগুলি মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নিয়ম মেনে দোকানঘরগুলি বণ্টন করা হোক। তাতে পঞ্চায়েতের বাড়তি উপার্জন হবে। সবমিলিয়ে বাসিন্দাদের অভিযোগ, এব্যাপারে বারবার জানালেও হেলদোল নেই পঞ্চায়েতের।

Advertisement

এলাকার বাসিন্দা তথা নবদ্বীপ পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী মঞ্জুরানি ঘোষ বলেন, বিগত পঞ্চায়েত বোর্ডের সময় পুরনো প্রতীক্ষালয়টি ভেঙে তিনটি দোকান করা হয়েছিল। সেগুলি কাকে দেওয়া হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে পঞ্চায়েতের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত বণ্টন করা হবে। বাস ও টোটো স্ট্যান্ডের বিষয়টি ভাবনা চিন্তায় রয়েছে। বাসগুলিকে রাস্তার একদিকে রেখে আচ্ছাদনের ব্যবস্থা করা যায় কি না, তাও ভেবে দেখা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, ২০২১-’২২ অর্থবর্ষে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা খরচ করে একটি নতুন প্রতীক্ষালয় তৈরি করা হয়। পঞ্চায়েতের আয়ের লক্ষ্যে এরই উল্টোদিকে পুরনো প্রতীক্ষালয়টি ভেঙে তিনটি দোকানঘর তৈরি করা হয়। কিন্তু কোনও কারণে সেগুলি আজও চালু হয়নি। পাশাপাশি, নতুন প্রতীক্ষালয়ের সামনে দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে টোটো। উল্লেখ্য, চারমাথার মোড় থেকে বাবলারি ও কৃষ্ণনগরের মধ্যে প্রতিদিন যাতায়াত করে প্রায় ১৩টি বাস। ভোর ৪টে ১০মিনিট থেকে ১৫মিনিট অন্তর এই বাসগুলি চলাচল করে। প্রতিদিন রাতে ১৩টি বাস এখন রাস্তার উপর রাখাটাই অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
বাবলারি-কৃষ্ণনগর ১৩নম্বর রুটের বাসচালক সুশান্ত বিশ্বাস বলেন, ভোর ৪টে ১০মিনিট থেকে গাড়ি চলা শুরু হয়। সন্ধ্যা ৭টায় এই বাবলারি থেকে শেষ বাস ছাড়ে। রাতে ১৩টি বাস থাকে। এখানে শেড তৈরি করে বাস রাখার ব্যবস্থা করা হলে খুবই ভালো হয়।
স্থানীয় টোটো চালক গৌর ঘোষ বলেন, আগে পঞ্চায়েতের তরফে বলা হয়েছিল, নতুন প্রতীক্ষালয়ের পাশের দোকানগুলি সরিয়ে দিয়ে এখানে টোটো স্ট্যান্ড করা হবে। সেসব কবে হবে, জানা নেই।
স্থানীয় বাসিন্দা শিবু ঘোষ বলেন, ৪০বছর ধরে আমি এখানে চায়ের দোকান চালাচ্ছি। প্রায় দু’বছর ধরে এই দোকানঘরগুলি তৈরি হয়ে পড়ে রয়েছে। আমরা শুনেছিলাম, ওই নতুন প্রতীক্ষালয়ের পাশে আমাদের দোকানগুলি স্থানান্তরিত করা হবে। কিন্তু এখনও সেরকম কিছু হয়নি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ