নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: আসানসোল জেলা হাসপাতালে নতুন ৫০ শয্যার গাইনি বা প্রসূতি ওয়ার্ডের উদ্বোধন হয় রবিবার। উদ্বোধন করেন হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: আসানসোল জেলা হাসপাতালে নতুন ৫০ শয্যার গাইনি বা প্রসূতি ওয়ার্ডের উদ্বোধন হয় রবিবার। উদ্বোধন করেন হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
নতুন ওয়ার্ডের উদ্বোধন করে অগ্নিমিত্রা বলেন, দীর্ঘদিন জায়গার অভাবে গাইনি ওয়ার্ডে রোগীদের সমস্যায় পড়তে হত। অনেক সময় একই বেডে দু’জন, এমনকি তিনজন রোগীকেও থাকতে হয়েছে। নতুন ওয়ার্ড চালু হওয়ায় সেই সমস্যা দূর হবে। তিনি জানান, এতদিন পুরানো গাইনি ওয়ার্ডে মোট ১১৭টি শয্যা ছিল। সেখানে মূলত সিজারিয়ান ডেলিভারির পর মায়েদের রাখা হয়। নতুন ওয়ার্ডে আরও ৫০টি শয্যা রাখা হয়েছে। সেখানে নর্মাল ডেলিভারি হওয়া মহিলা এবং বিভিন্ন গাইনি সমস্যায় আক্রান্তদের রাখা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সবসময় সরকারি হাসপাতালের সঙ্গে বেসরকারি নার্সিংহোমের তুলনা করি। কিন্তু এখন আসানসোল জেলা হাসপাতালও অনেক বেসরকারি হাসপাতালকে টেক্কা দেওয়ার মতো পরিষেবা দিচ্ছে। এখানে চিকিৎসক ও পরিষেবা বিশ্বমানের করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়াহয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের ট্রমা সেন্টার ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে। পাশাপাশি ক্যান্সার সেন্টারও খোলা হয়েছে এবং সেখানে চিকিৎসা পরিষেবা চলছে। ক্যান্সার সেন্টারে বর্তমানে ৫টি বেড রয়েছে। রোগীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে চিকিৎসকের চেম্বারের কাছেই বেডগুলির ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে চিকিৎসার জন্য রোগীদের দূরে যেতে না হয়। খুব শীঘ্রই আসানসোল জেলা হাসপাতালে বার্ন সেন্টারও চালু হবে। তাঁর কথায়, গোটা এলাকায় এখনও পর্যাপ্ত আগুনে পুড়ে যাওয়া রোগীর চিকিৎসার পরিষেবা নেই। ফলে এই কেন্দ্র চালু হলে অগ্নিদগ্ধ রোগীদের চিকিৎসায় বড়ো সুবিধা হবে।
রবিবারই অগ্নিমিত্রা পাল আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার জামডোবা গ্রামে গিয়ে বিদ্যুৎ চালিত ঢেকি আদিবাসী মহিলাদের হাতে তুলে দেন। পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে ক্ষেত্রে পতঙ্গ নাশক স্প্রে করার বিষয়টিও দেখানো হয় মন্ত্রী সামনে।