নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: মঙ্গলবার তৃণমূল প্রভাবিত বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতির রক্তদান শিবির ছিল। মঞ্চে উপস্থিত দুই মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং স্বপন দেবনাথ। বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, ছাত্রনেতা স্বরাজ ঘোষ সহ শাসক দলের একঝাঁক জনপ্রতিনিধি ও নেতা মঞ্চে রয়েছেন। মঞ্চে ছিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি শঙ্করকুমার নাথ। কয়েকজন জনপ্রতিনিধির পর তিনি বক্তব্য রাখতে শুরু করলেন। শুরুতেই নেতাদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন। শাসক দলের এক নেতাকে ‘পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে ভূষিত করলেন। এক নেতাকে কেন ‘দাদা’ বলা হয়, সেই ব্যাখ্যাও তিনি দিলেন। উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে এরাজ্যের সংস্কৃতি যাতে বিলীন না হয়, সেই পরামর্শও দিলেন। এই পর্যন্ত তবুও ঠিক ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই বক্তব্য থামিয়ে তিনি বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে প্রণাম করতে এগিয়ে গেলেন। তিনি বলতে থাকেন, শোভনবাবুর নাম অনেক শুনেছি। ওঁর পা ধরে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিতে চাই। উপাচার্যের এহেন উদ্যোগে অস্বস্তিতে পড়লেন শোভনবাবু। তিনি ভিসির হাত ধরে প্রণাম না করার অনুরোধ করেন। তারপরও তিনি জোরাজুরি করতে থাকেন। অনেক অনুরোধের পর বর্ষীয়ান মন্ত্রী কোনও রকমে পরিস্থিতি সামাল দেন। মন্ত্রীর হাত ধরে আশীর্বাদ নেওয়ার ঢংয়ে তিনি বলেন, সারা দেশকে আমরা যেন সেবা করতে পারি। সারা বিশ্বে যেন আমাদের প্রতিভা তুলে ধরতে পারি।



