উজির আলি, চাঁচল: প্রতি বছরের মতো এবারও একুশে জুলাই শহিদ সমাবেশে যোগ দিতে হরিশ্চন্দ্রপুর থেকে ট্রেনে কর্মীদের নিয়ে যাচ্ছেন জেলা পরিষদ সদস্য বুলবুল খান। নিজের খরচেই পাঁচশো কর্মীকে নিয়ে যাবেন তিনি। শুক্রবার সন্ধ্যায় হরিশ্চন্দ্রপুর স্টেশন থেকে হাটেবাজার এক্সপ্রেস ধরে ধর্মতলার দিকে রওনা হবেন সকলে। ট্রেনের টিকিট কাটার কাজও শেষ।
বুলবুল বলেন, অন্যান্য বছরের মতো এবারও নিজ দায়িত্বে কর্মীদের নিয়ে যাচ্ছি। যাঁরা যাচ্ছেন, সকলেই যুবকর্মী। আমরা হোটেলে থাকি না। গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে দলের শিবিরে কর্মীদের নিয়ে খাওয়াদাওয়া, বিশ্রাম ও রাতযাপন করি। তাঁদের যেন অসুবিধা না হয়, সেদিকে নজর রাখছি। তাঁদের দেখভালের জন্য কয়েকজন কর্মীকে দায়িত্ব দিয়েছি। বাড়ি ফেরা পর্যন্ত আমি তাঁদের সঙ্গেই থাকব।
তৃণমূল কর্মী পুজন দাস বলেন, দাদার জন্যই প্রতি বছর শহিদ দিবসে ধর্মতলায় যেতে পারি। আশরাফুল নামে আর এক কর্মী বলেন, দাদার সঙ্গে ট্রেনে সফর করে কলকাতা যাওয়া মানে অন্যরকম অনুভুতি। মকরম আলির কথায়, বুলবুল দা না থাকলে শহিদ দিবসে যাওয়া হত না। তিনি আমাদের অভিভাবকের মতো।
এদিকে শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে জেলার প্রতিটি ব্লকে প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। দলের তরফে দেওয়াল লিখন, পতাকা, ব্যানার ও মাইক প্রচারের মাধ্যমে জনসংযোগ করা হয়েছে। বুলবুল নিজের এলাকার প্রতিটি অঞ্চল ও বুথে গিয়ে কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সাধারণ মানুষকেও শহিদ দিবসে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
জেলা তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫টি ব্লক থেকে প্রায় ৫০টি বাস ও দু’শোটির বেশি ছোট গাড়িতে কর্মী ও নেতারা কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। পাশাপাশি, অনেকে ট্রেনেও যাবেন। জেলা তৃণমূল সভাপতি আব্দুর রহিম বকসি বলেন, এবার মালদহ জেলা থেকে প্রায় ২০ হাজার নেতাকর্মী শহিদ দিবসের সমাবেশে যোগ দেবেন। কর্মীদের উদ্দীপনা দেখে বোঝা যাচ্ছে, এবারের শহিদ দিবস আরও সফল হবে।