নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ ও সংবাদদাতা, হবিবপুর: জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে শত্রুতা। জমিতে বিষ ছড়িয়ে নষ্ট করা হল বিঘার পর বিঘা জমির ফসল। ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন আট থেকে নয়জন কৃষক। এনিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হবিবপুর ব্লকের রাধাকান্তপুর গ্রামে। বিষ ছড়িয়ে ফসল নষ্ট করায় ক্ষুব্ধ ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
Advertisement
ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা ব্লক কৃষি দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছেন। ব্লক কৃষি আধিকারিক অজয় রাম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে জেলায় রিপোর্ট পাঠাব। তারপর জেলা থেকে যেভাবে নির্দেশ আসবে সেই অনুযায়ী কাজ হবে।
কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ ছড়ানো হয়েছে প্রায় ৪২ বিঘা জমিতে। যার জেরে নষ্ট হয়ে গিয়েছে সর্ষে এবং মটরশুঁটির খেত। নয় থেকে দশ লক্ষ টাকার ফসল ক্ষতি হয়েছে বলে কৃষিদপ্তরের প্রাথমিক অনুমান।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নরেশ হাজরা বলেন, এলাকার কিছু জমি নিয়ে অনেকদিন ধরে ঝামেলা চলছিল। যা নিয়ে হবিবপুর থানা বেশ কয়েকবার বৈঠক ডেকে বিষয়টি মেটানোর চেষ্টাও করে। কিন্তু সমস্যা মেটেনি। এরই মাঝে সম্প্রতি গ্রামের কিছু বাসিন্দা হুমকি দেয়। জমিতে চাষাবাদ বন্ধ করার হুমকি দেয়। এরপরই এই ঘটনা। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। হবিবপুর থানার আইসি অক্ষয় পাল বলেন, ফসল নষ্ট করার অভিযোগ পেয়েছি। পুরো বিষয়টির তদন্ত চলছে। এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
এই ঘটনার পর এলাকার অন্য চাষিদেরও চিন্তা বাড়ছে। কারণ এখনও অভিযুক্তকে চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিস। ফলে অন্যদের ফসলেও যে এভাবে বিষ দেওয়া হবে না, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।
কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ ছড়ানো হয়েছে প্রায় ৪২ বিঘা জমিতে। যার জেরে নষ্ট হয়ে গিয়েছে সর্ষে এবং মটরশুঁটির খেত। নয় থেকে দশ লক্ষ টাকার ফসল ক্ষতি হয়েছে বলে কৃষিদপ্তরের প্রাথমিক অনুমান।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নরেশ হাজরা বলেন, এলাকার কিছু জমি নিয়ে অনেকদিন ধরে ঝামেলা চলছিল। যা নিয়ে হবিবপুর থানা বেশ কয়েকবার বৈঠক ডেকে বিষয়টি মেটানোর চেষ্টাও করে। কিন্তু সমস্যা মেটেনি। এরই মাঝে সম্প্রতি গ্রামের কিছু বাসিন্দা হুমকি দেয়। জমিতে চাষাবাদ বন্ধ করার হুমকি দেয়। এরপরই এই ঘটনা। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। হবিবপুর থানার আইসি অক্ষয় পাল বলেন, ফসল নষ্ট করার অভিযোগ পেয়েছি। পুরো বিষয়টির তদন্ত চলছে। এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
এই ঘটনার পর এলাকার অন্য চাষিদেরও চিন্তা বাড়ছে। কারণ এখনও অভিযুক্তকে চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিস। ফলে অন্যদের ফসলেও যে এভাবে বিষ দেওয়া হবে না, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।



