Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / চতুষ্পর্ণী

বিশুদ্ধ বাতাসে বড় হচ্ছে ‘পুনশ্চ’ 

বিশুদ্ধ বাতাসে বড় হচ্ছে ‘পুনশ্চ’ 
  • ১১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
অরিত্রা সেনগুপ্তের জন্ম ঝাড়গ্রামে। বড় হওয়া অবশ্য কলকাতায়। বাবা-মা দু’জনেই স্কুল টিচার। একসময় গ্রুপ থিয়েটার করেছেন। রবি ওঝার সহকারি হিসেবেও কাজ করার সুযোগ পান। কীভাবে ‘পুনশ্চ’র কথা মাথায় এল? শোনালেন সে কাহিনি। বললেন, ‘আমার ননদ শান্তিনিকেতনে বাড়ি করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেটা দেখেই আমি ও আমার স্বামী অয়ন সিদ্ধান্ত নিই, গ্রামের দিকে বাড়ি করব। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছিলাম, বিশুদ্ধ বাতাসে বিষহীন সব্জি ও ফসল নিজেরাই ফলাব। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। খাতা-কলম নিয়ে বসে পড়লাম। সঞ্চয় যা আছে, তা দিয়েই আসরে নামলাম। শুরু হল জমি খোঁজা। সেও প্রায় বছর দুয়েক লাগল। একদিন এলাম বক্রেশ্বরের কাছে আদমপুর। জায়গাটার সঙ্গে ঝাড়গ্রামের মিল দেখে আমার বেশ পছন্দ হল। বেঁকে বসল স্বামী। কিন্তু ওঁকে বুঝিয়ে ওই জায়গাই ফাইনাল করলাম। কেনা হল জমি। এরই মধ্যে এল কোভিড। ফলে পুরো পরিকল্পনাটাই মার খেল। তখন টানাটানির সংসার। তবে ভেঙে পড়িনি দু’জনের কেউই। লড়াই ছাড়িনি। কোভিডের মধ্যেই ঋণ নিলাম। জমিতে কারেন্ট এল। জলের ব্যবস্থা হল। হল দু’কামরার বাড়ি আর গোয়াল। এভাবেই যাত্রা শুরু হল ‘পুনশ্চ’র।’ এখন একটু একটু করে সংস্থা বড় হচ্ছে। সব্জি, ফসল এগুলো শহরে আনা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু ঘি, মাখন, পনির, চিজ আসছে। খাঁটি জিনিসের আস্বাদ ভুলতে বসা মানুষ এগুলো পেয়ে খুশিও হচ্ছে। অরিত্রারাও খুশি এমন কর্মযজ্ঞের হোতা হতে পেরে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ