সানফিস্ট ডার্ক ফ্যান্টাসি-র অভিনব উদ্যোগ
সানফিস্ট ডার্ক ফ্যান্টাসি-র অভিনব উদ্যোগ
•শাহরুখ খানের সঙ্গে দেখা করা সাধারণ দর্শকের কাছে স্বপ্ন। তা এবার বাস্তবে পরিণত হল আইটিসি-র সানফিস্ট ডার্ক ফ্যান্টাসি-র হাত ধরে। এই সংস্থা ‘হার দিল কি ফ্যান্টাসি’ শীর্ষক প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপদান করেছে। দেশজুড়ে ৪০ জন গ্রাহক মুম্বইতে গিয়ে শাহরুখ খানের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেয়েছেন। ব্র্যান্ডটির বৃহত্তর ‘১ মিলিয়ন ফ্যান্টাসিস’ উদ্যোগে ১০ লক্ষেরও বেশি গ্রাহক অংশ নিয়েছিলেন। তার মধ্যে ৪০ জন ভাগ্যবান বিজয়ীকে শাহরুখ খানের সাথে একান্ত সাক্ষাতের সুযোগ করে দেওয়া হয়। এছাড়াও অংশগ্রহণকারীদের জন্য ছিল নানা আকর্ষণীয় পুরস্কার। এই উদ্যোগ সম্পর্কে শাহরুখ খান বলেন, ‘আমাদের সবার জীবনেই ফ্যান্টাসির এক বিশেষ স্থান রয়েছে। ‘সানফিস্ট ডার্ক ফ্যান্টাসি’-র ‘হার দিল কি ফ্যান্টাসি’ উদ্যোগের অংশ হওয়া এবং অনুরাগীদের জন্য স্মরণীয় নানা অভিজ্ঞতা তৈরি করা সত্যিই বিশেষ একটি বিষয়।’ সানফিস্ট, আইটিসি লিমিটেড-এর হেড অফ মার্কেটিং সুরাজ কাথুরিয়া বলেন, ‘সানফিস্ট ডার্ক ফ্যান্টাসি-তে আমরা সবসময়ই বিশ্বাস করি যে, দৈনন্দিন জীবনে আনন্দ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা ফ্যান্টাসির রয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা পুরস্কার প্রদানের গণ্ডি পেরিয়ে এমন এক অভিজ্ঞতা তৈরি করতে চেয়েছি যা মানুষ চিরকাল মনে রাখবেন।’
হায়াত সেন্ট্রিক কলকাতার যাযাবর-এ ইলিশ উৎসব
• বর্ষা ভালোই ব্যাটিং করছে রাজ্যে। বৃষ্টি এলেই বাঙালির ইলিশ খাওয়ার সাধ নতুন করে মাথাচাড়া দেয়। বর্ষাকাল জুড়ে চলে হেঁশেলে ইলিশ পার্বণ। সেকথা মনে রেখেই হায়াত সেন্ট্রিক কলকাতার ‘যাযাবর’ সাজিয়েছে ইলিশের পাত। পুরানো বাংলার প্রিয় ও প্রায় হারিয়ে যাওয়া ইলিশের পদগুলিকেই এই উৎসবে তুলে ধরা হয়েছে। ‘ইলিশের হারানো পাতা: দ্য লস্ট রেসিপিস অব বেঙ্গল’ শিরোনামে এই উৎসব চলবে আগামী কাল, ১২ জুলাই পর্যন্ত। শেফ শমিতা হালদারের তত্ত্বাবধানে ইলিশের রকমারি পদ দিয়ে তৈরি হয়েছে মেনু। তালিকায় আছে কুমড়ো পাতায় ভাপা ইলিশ, মানিকগঞ্জের তিল-নারকেল ইলিশ, বরিশালের ইলিশ সাদা পোলাও, ইলিশের মাথা দিয়ে কচুশাক, মোচা-কলা ইলিশের ঝোল, তেঁতুলের ইলিশ টক ও ইলিশ বিরিয়ানি। এর মধ্যে বেশিরভাগ পদই এখন আর বাঙালি বাড়িতে রান্না করার সুযোগ হয় না। কারণ, পুরানো দিনের রান্না সঠিক পদ্ধতিতে জেনে করার মানুষ ক্রমশ কমে যাচ্ছে। বালিগঞ্জ ডোভার টেরেসের এই হোটেলে ব্রাঞ্চের সুযোগ পাবেন দুপুর ১২.৩০ থেকে বিকেল ৩.৩০ পর্যন্ত। ডিনারের সময় সন্ধে ৭টা থেকে রাত ১১টা। ব্রাঞ্চে খরচ পড়বে ১,৮৯৯ টাকা ও কর। ডিনারের খরচ ১,৭৯৯ টাকা, সঙ্গে কর। আ লা কার্টে মেনুও অর্ডার করতে পারেন। জনপ্রতি খরচ ধরে রাখুন ৭৫০ টাকা।
সিরাজ গোল্ডেনে ‘দ্য বিরিয়ানি ম্যান’
• ধরুন, হাতে রয়েছে ৪৫ মিনিট। সামনে সাজানো মাটন বিরিয়ানির প্লেট,তাও আবার সিরাজের! কত প্লেট খতম করতে পারবেন? কলকাতায় শুরু হচ্ছে তেমনই একটা প্রতিযোগিতা। বিরিয়ানিপ্রেমীদের মধ্যে সেরা হওয়ার লড়াইয়ের নাম ‘দ্য বিরিয়ানি ম্যান’। সিরাজ গোল্ডেন রেস্তরাঁর তরফ থেকে এই প্রতিযোগিতার ঘোষণা করেন সংস্থার অন্যতম কর্ণধার ইশতিয়াক আহমেদ, আখতার হাসনাইন ও ডঃ রাগিব হাসনাইন। উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা অনির্বাণ চক্রবর্তী ও সুহোত্র মুখোপাধ্যায়। এই প্রতিযোগিতার নানা স্তর রয়েছে। প্রতিটিই বেশ মজাদার। পুরস্কারও দুর্দান্ত! মাত্র ৪৫ মিনিট সময়ের মধ্যে কে কত প্লেট বিরিয়ানি খেতে পারেন সেটারই আসর বসবে সিরাজে। অন্তত দু’প্লেট বিরিয়ানি না খেতে পারলে, আপনি বাদ পড়বেন। প্রতিযোগীদের মধ্যে সর্বোচ্চ প্লেট বিরিয়ানি যিনি খাবেন, তিনিই বিজয়ী। পুরস্কার হিসেবে রয়েছে দ্য বিরিয়ানি ম্যানের মুকুট ও আজীবন সিরাজে বিনামূল্যে বিরিয়ানি খাওয়ার বিশেষ কার্ড। এই কার্ডের মাধ্যমে বিজয়ী প্রতি সপ্তাহে একবার এক প্লেট ‘সিগনেচার মাটন বিরিয়ানি’ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাবেন। আগামী ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা। আগামী ২১ জুলাই পর্যন্ত সরাসরি স্টোর, কিউআর কোড এবং অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতার জন্য নাম নথিভুক্ত করা যাবে। ২২ জুলাই ফেসবুক লাইভে লটারির মাধ্যমে ২৫ জন চূড়ান্ত প্রতিযোগীকে বেছে নেওয়া হবে। ১৮-৬০ বছর বয়সি যে কোনো ভারতীয় নাগরিক এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন।প্রতিযোগিতা চলাকালীন প্রয়োজনে চিকিৎসার ব্যবস্থাও থাকবে সিরাজে। তাহলে আর দেরি কীসের? এমন সুযোগ তো সচরাচর পাওয়া যায় না। বিরিয়ানির প্রতি ভালোবাসা প্রমাণের এমন আয়োজন সত্যিই বিরল।