Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মুর্শিদাবাদে বিএসএফের রুটমার্চ

সুষ্ঠুভাবে ঈদ মিটলেও মুর্শিদাবাদ জেলার প্রতিটি থানা এলাকায় অশান্তি রুখতে তৎপরতা তুঙ্গে। জেলাজুড়ে রবিবার সকাল থেকে পুলিস ও বিএসএফ রুটমার্চ শুরু করে।

মুর্শিদাবাদে বিএসএফের রুটমার্চ
  • ৯ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: সুষ্ঠুভাবে ঈদ মিটলেও মুর্শিদাবাদ জেলার প্রতিটি থানা এলাকায় অশান্তি রুখতে তৎপরতা তুঙ্গে। জেলাজুড়ে রবিবার সকাল থেকে পুলিস ও বিএসএফ রুটমার্চ শুরু করে। এদিন সকালে শক্তিপুর, বড়ঞা, নওদা, রেজিনগর, বেলডাঙা, ভরতপুর, জিয়াগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, ডোমকল এবং সাগরপাড়ায় বিএসএফ রুটমার্চ করে। প্রথমে বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল এলাকায় টহল দেয়। তারপর গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে বিএসএফের রুটমার্চ চলে। গ্রামের ভিতর বিএসএফ দেখে অনেকেই হতবাক। এদিন সকালের পর আবার বিকেল থেকে রুটমার্চ শুরু হয়। বহরমপুর, শক্তিপুর, নওদা, রেজিনগর, বেলডাঙা, কান্দি, সালার, জিয়াগঞ্জ, রানিতলা, জলঙ্গি এবং ইসলামপুর থানা এলাকায় জওয়ানরা রুটমার্চ করেছেন।

Advertisement

উল্লেখ্য, ওয়াকফ নিয়ে সামশেরগঞ্জ ও ধুলিয়ানে অশান্তির পর হাইকোর্টের নির্দেশে মুর্শিদাবাদ জেলায় বিএসএফ মোতায়েন করা হয়। জঙ্গিপুরের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ পুলিস জেলাতেও বিএসএফ মোতায়েন করা হয়েছে। সেই বিএসএফ এখনও জেলার স্পর্শকাতর এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছে। ঈদের দিনও বেশকিছু থানা এলাকায় বিএসএফ মোতায়েন করা হয়। ঈদ মিটে যাওয়ার পরও পুলিস ঝুঁকি নিতে রাজি নয়। তাই রবিবার সকাল থেকে রুটমার্চ শুরু হয়েছে। 
শনিবার রাতে শক্তিপুর থানা এলাকায় একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। বিশাল পুলিস বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তারপরই রবিবার সকাল থেকে এলাকায় বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী রুটমার্চ শুরু করে। জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, সমস্ত থানা এলাকায় আমরা বিএসএফকে দিয়ে নিয়ম করে রুটমার্চ করাচ্ছি। প্রতিটি জায়গায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় আছে।
শক্তিপুরের বাঁছরা এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, সকালের পর বিএসএফ বিভিন্ন জায়গায় টহল দিচ্ছে। স্থানীয় থানার পুলিসও ওদের সঙ্গে ছিল।  রামনগর এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, বাজারে যাওয়ার সময় দেখি, প্রায় ২০-২২জনের একটি বিএসএফের দল এলাকায় রুটমার্চ করছে। আমাদের এলাকায় তেমন কোনও সমস্যা নেই। তবে, পুলিস যে আগে থেকে তৎপরতা নিয়েছে, সেটা দেখে ভালো লাগছে। এলাকায় বিএসএফ টহল দিলে কেউ গণ্ডগোল করার সুযোগ পাবে না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ