সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের বিচারে বার্ষিক কর্মক্ষমতা মূল্যায়নে উত্তর ২৪ পরগনার পাশাপাশি বীরভূম জেলা পঞ্চম স্থান দখল করল। এই মূল্যায়নে জেলার ১৬৭টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ১৫১টি উত্তীর্ণ হয়েছে। ১৬টি পঞ্চায়েত ব্যর্থ হয়েছে।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর মূলত পঞ্চায়েতের পরিকল্পনা এবং বাজেট, ফান্ড খরচ, পরিষেবা, সামাজিক কাজ এবং আত্মনির্ভর হওয়ার বিষয় যাচাই করে দেখে। মাপকাঠি হিসেবে দেখা হয়, সভায় ৫০শতাংশ সদস্যের উপস্থিতি এবং ৩১মার্চের মধ্যে পরিকল্পনা অনুমোদন। বিভিন্ন প্রকল্পে মোট তহবিলের ৭৫শতাংশ খরচ করতে হবে। গত অর্থবর্ষের তুলনায় পঞ্চায়েতের নিজস্ব আয় পাঁচ শতাংশ বৃদ্ধি করতে হবে। এছাড়া নারী-শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণে অন্তত দু’টি কার্যক্রম এবং তহবিল নির্ধারিত সময়ে ব্যয়। গ্রামসভার মিটিং, পানীয় জল পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দেওয়া সহ বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক কাজে কমপক্ষে ১২টি সভা বা শিবির, পঞ্চায়েতে অভিযোগের সমাধান সহ নানা নির্দেশ রয়েছে দপ্তরের। রাজ্যের সেই মূল্যায়নে সেরা পাঁচের মধ্যে যৌথভাবে রয়েছে বীরভূম ও উত্তর ২৪পরগনা। বীরভূমের ১৬টি পঞ্চায়েত এই মূল্যায়নে ফেল করেছে। প্রথম স্থান দখল করেছে পূর্ব বর্ধমান। সবচেয়ে নীচে রয়েছে পুরুলিয়া, হুগলি, মুর্শিদাবাদ, মালদহ ও জলপাইগুড়ি। জানা গিয়েছে, বীরভূমের ১৬টি পঞ্চায়েত ৬০ শতাংশ ফান্ড খরচ করতে পারেনি। অডিট রিপোর্ট সময়মতো পাঠানো সহ নানা খামতি রয়েছে।
বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, পঞ্চায়েতগুলিকে আরও ভালোভাবে কাজ করতে হবে। পরবর্তী মূল্যায়নে যাতে সব পঞ্চায়েতেই আমরা পাশ করতে পারি সেটাই আমাদের লক্ষ্য। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের নির্দেশ মেনে কাজ করতে হবে।
বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, পঞ্চায়েতগুলিকে আরও ভালোভাবে কাজ করতে হবে। পরবর্তী মূল্যায়নে যাতে সব পঞ্চায়েতেই আমরা পাশ করতে পারি সেটাই আমাদের লক্ষ্য। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের নির্দেশ মেনে কাজ করতে হবে।



