Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বর্ষবরণের রাতে পুলিসের কড়া নজর মদ্যপদের উপর

বর্ষবরণের রাতে পুলিসের কড়া নজর মদ্যপদের উপর
  • ১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: কয়েক মাস আগে কয়েকজন লাস্যময়ীকে নিয়ে শক্তিগড় থানার পুলিস নাজেহাল হয়েছিল। তারা মদ্যপ অবস্থায় জাতীয় সড়কে কার্যত তাণ্ডব চালিয়েছিল। পাকড়াও করতে গেলে তারা রাস্তার উপরেই বসে পড়ে। যাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে কালঘাম ছুটে ছিল পুলিস কর্মীদের। সম্প্রতি এই লাস্যময়ীদের নিয়ে পুলিসের উদ্বেগ বেড়েছে। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্ষবরণের রাতে মহিলা পুলিসের বিশেষ বাহিনী রাস্তায় নামানো হয়। স্কুটি চালিয়ে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ায় তারা। এছাড়া পুলিসের ‘পিঙ্ক’ গাড়িও টহল দিয়েছিল। শক্তিগড়, উল্লাসমোড় এবং জাতীয় সড়কের পাশে কয়েকটি পানশালার বাইরে পুলিস নজরদারি চালায়। উল্লাসের কাছে প্রায় সন্ধ্যাতেই ‘ঠেক’ বসে। মঙ্গলবার দুপুরেই পুলিস এখানকার চায়ের দোকানের মালিকদের সতর্ক করেছে। সন্ধ্যার পর দোকানে যাতে ভিড় না জমে তা দেখার জন্য বলা হয়। প্রয়োজনে সন্ধ্যার পরেই চায়ের দোকানগুলি বন্ধের পরামর্শ দেওয়া হয়। পূর্ব বর্ধমানের পুলিস সুপার সায়ক দাস বলেন, জেলার সব প্রান্তেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। মদ্যপ অবস্থায় বাইক চালালে দুর্ঘটনার সম্ভবনা বেড়ে যায়। সেই কারণেই বিশেষ মেশিনের মাধ্যমে চেকিং করা হয়েছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বাইকের পাশাপাশি এদিন অনেকেই মদ্যপ অবস্থায় চারচাকা গাড়ি চালাচ্ছিল। উল্লাসমোড়ের কাছে তাদের কয়েকজনকে পুলিস পাকড়াও করে। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, শুধু বর্ষশেষের রাত নয়, আগামী দিনগুলিতেও একইভাবে নজরদারি বাড়ানো হবে। দুর্ঘটনা কমানোর জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কয়েক বছরে জেলায় দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। প্রশাসনের উদ্যোগে পরিবহণ কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। চোখ পরীক্ষাও করা হয়েছে। যাঁদের দৃষ্টি কম, তাঁদের চোখের আলোয় প্রকল্পে চশমা দেওয়া হচ্ছে। আলিশা এবং নবাবহাট বাসস্ট্যান্ডে স্বাস্থ্য‌঩শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রয়োজনে আগামী দিনে এধরনের আরও কয়েকটি শিবিরের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি মদ্যপ চালকদের পাকড়াও করতেও পুলিস কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকেই পুলিস পথে নেমেছিল। মধ্যরাত পর্যন্ত এই অভিযান চলে। 
সম্পর্কিত সংবাদ