সংবাদদাতা, নাগরাকাটা ও নকশালবাড়ি: শুক্রবার বিরসা মুন্ডার দেড়শো বছর জন্মদিবস পালিত হল উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায়। জলপাইগুড়ি জেলাস্তরের মূল প্রশাসনিক অনুষ্ঠানটি মাল ব্লকের রাঙামাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সুন্দরী লাইনের ফুটবল মাঠে হয়। দুপুরে ১টায় অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মন্ত্রী বুলুচিক বরাইক। উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শামা পারভীন, পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত, ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায় প্রমুখ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে নাচ-গানের অনুষ্ঠান।
Advertisement
অনুষ্ঠানে এসেছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মন, কর্মাধ্যক্ষ মহুয়া গোপ, মালবাজারের এসডিও শুভম কুণ্ডল। এদিন মেটেলি, নাগরাকাটা ও ক্রান্তি ব্লক সহ ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় বীর বিরসা মুন্ডার জন্মজয়ন্তী পালন করা হয়।
অন্যদিকে, শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে রাজ্য সরকারের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগের উদ্যোগে বিরসা মুন্ডার জন্মজয়ন্তী পালন করা হয় সন্তোষিণী বিদ্যাচক্র হাইস্কুলের মাঠে। দার্জিলিং জেলাস্তরের অনুষ্ঠানটি হয় এখানে। অনুষ্ঠানে শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র গৌতম দেব, মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ, জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল, পুলিস সুপার প্রবীণ প্রকাশ, ফাঁসিদেওয়া বিডিও বিপ্লব বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানের সূচনা পর্ব শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এদিকে, সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না পেয়েও সেখানে যোগ দেন ফাঁসিদেওয়ার বিধায়ক দূর্গা মুর্মু। তিনি মাটিতে বসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিধায়ক বলেন, একজন আদিবাসী বিধায়ক হওয়ার কারণে বিরসা মুন্ডার ছবিতে মাল্যদান করে মাটিতে বসে অনুষ্ঠান দেখেছি। তৃণমূল নেতা কাজল ঘোষ বলেন, বিধায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কেন তিনি এ কথা বললেন জানি না।
অন্যদিকে, শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে রাজ্য সরকারের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগের উদ্যোগে বিরসা মুন্ডার জন্মজয়ন্তী পালন করা হয় সন্তোষিণী বিদ্যাচক্র হাইস্কুলের মাঠে। দার্জিলিং জেলাস্তরের অনুষ্ঠানটি হয় এখানে। অনুষ্ঠানে শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র গৌতম দেব, মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ, জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল, পুলিস সুপার প্রবীণ প্রকাশ, ফাঁসিদেওয়া বিডিও বিপ্লব বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানের সূচনা পর্ব শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এদিকে, সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না পেয়েও সেখানে যোগ দেন ফাঁসিদেওয়ার বিধায়ক দূর্গা মুর্মু। তিনি মাটিতে বসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিধায়ক বলেন, একজন আদিবাসী বিধায়ক হওয়ার কারণে বিরসা মুন্ডার ছবিতে মাল্যদান করে মাটিতে বসে অনুষ্ঠান দেখেছি। তৃণমূল নেতা কাজল ঘোষ বলেন, বিধায়ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কেন তিনি এ কথা বললেন জানি না।



